পর্তুগাল জাতীয় দলের শিবির ছেড়ে যাওয়ার ঘটনার প্রেক্ষিতে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর বিরুদ্ধে শুরু হওয়া শাস্তিমূলক প্রক্রিয়ায় বড় ধরনের নাটকীয় মোড় দেখা দিয়েছে। শৃঙ্খলা কমিটির সিদ্ধান্ত আসার আগপর্যন্ত ৪১ বছর বয়সী এই তারকা সাময়িকভাবে নিষিদ্ধ থাকলেও, মাত্র কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে ফেডারেশনের অবস্থান নমনীয় হয়েছে। পর্তুগিজ ফুটবল ফেডারেশন সভাপতি পেদ্রো প্রোয়েনসা জানিয়েছেন, জাতীয় দলের কোচ ও সতীর্থদের সম্মিলিত মতামতের ভিত্তিতে তারা রোনালদোকে আবারও স্বাগত জানাতে প্রস্তুত।
পোর্তো ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের নতুন স্টেডিয়াম উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রোয়েনসা আশা প্রকাশ করে বলেন, আগামী নভেম্বরে আন্তর্জাতিক বিরতির সময় রোনালদোকে জাতীয় দলের জার্সিতে দেখা যেতে পারে। এর আগে শনিবার ফেডারেশন আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়েছিল, জরুরি ভিত্তিতে তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। দলের অনুমতি ছাড়া শিবির ত্যাগ করলে অভ্যন্তরীণ নিয়ম অনুযায়ী যে সাময়িক নিষেধাজ্ঞার বিধান রয়েছে, সেই প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল।
তত্ত্বাবধায়ক কোচ হোর্হে জেসুসের সঙ্গে মতবিরোধের জেরে রোনালদো শিবির ছেড়েছিলেন। টানা দুই ম্যাচে শুরুর একাদশে সুযোগ না পাওয়ার পর ব্যক্তিগত বিমানে তিনি ক্যাম্প ত্যাগ করেন। পরবর্তী এক বিবৃতিতে তিনি কোচের বিরুদ্ধে প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের অভিযোগ তোলেন এবং আট দফা পরিকল্পনার বিষয়ে সমালোচনা করেন। এমনকি সংবাদ সম্মেলনে কোচের দেওয়া বক্তব্য ও ক্ষমা চাওয়ার প্রয়োজনীয়তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছিলেন তিনি।
তবে রোনালদো নিজের ভুল স্বীকার করে সতীর্থ ও সমর্থকদের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন। তিনি বলেছিলেন, অধিনায়ক হিসেবে তার দায়বদ্ধতা অন্যদের চেয়ে বেশি, তাই শাস্তির বিষয়ে কোনো ছাড় দেওয়া উচিত নয়। এদিকে ফেডারেশন সভাপতির নতুন বক্তব্যের পর রোনালদোর ওপর শাস্তির খাঁড়া ঝুলবে কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। শৃঙ্খলা কমিটি চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত এখনো ঘোষণা না করায় বিষয়টির সুরাহা ঝুলে রয়েছে।




