পটুয়াখালীর দশমিনায় সরকারি নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে তেঁতুলিয়া নদীতে অবৈধভাবে মা ইলিশ শিকারের সময় আট জেলেকে আটক করেছে উপজেলা প্রশাসন, মৎস্য বিভাগ ও নৌপুলিশ। শনিবার পরিচালিত যৌথ অভিযানে তাদের আটক করা হয় এবং ৩ হাজার ৫০০ মিটার অবৈধ কারেন্ট জাল ও তিনটি মাছ ধরার ট্রলার জব্দ করা হয়েছে। জব্দকৃত জালগুলো পরবর্তীতে তেঁতুলিয়া নদীর তীরে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়। শনিবার তেঁতুলিয়া নদীতে পৃথক অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।
আটককৃতদের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাহমুদ হাসান মৃধার নেতৃত্বাধীন ভ্রাম্যমাণ আদালতে হাজির করা হয়। মৎস্য সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী, আদালত প্রত্যেক জেলেকে এক মাসের কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড প্রদান করেন। দণ্ডপ্রাপ্তদের পরবর্তীতে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জানান, নিষেধাজ্ঞার সময় তেঁতুলিয়া নদীতে মাছ আহরণ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাদের প্রত্যেককে এক মাসের কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
দণ্ডপ্রাপ্ত আটজনের পরিচয় নিচে দেওয়া হলো
- গলাচিপা উপজেলার ছোটশিবা গ্রামের লিটন জোমাদ্দার (৪০), দিরীপ রানা (৪৫), নিরব (২৮), রাব্বি হাওলাদার (২২), রাসেল (২৭) এবং মৃত আজীজ কাজীর ছেলে বাবুল হোসেন (৩৮)।
- ভোলা জেলার চরফ্যাশন উপজেলার লালপাতা গ্রামের রাজ্জাক কাজী (৫০)।
- একই গ্রামের মান্নান হাওলাদারের ছেলে জসিম হাওলাদার (৪৫)।
অভিযানটিতে নেতৃত্ব দেন উপজেলা সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা মো. আমিনুল ইসলাম ও নৌপুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. ফেরদাউস। এ সময় উপজেলা পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের ফিল্ড অফিসার রহমাতুল্লাহসহ নৌপুলিশের অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।






