প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ভারত সফরের জন্য দিল্লি সরকার বারবার অনুরোধ জানালেও তিনি তাতে সাড়া দেননি। প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন জানিয়েছেন, পলাতক শেখ হাসিনা এবং শহীদ ওসমান হাদীর খুনিদের ফেরত না দেওয়া পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী ভারত সফরে যাবেন না। শুক্রবার দুপুরে ঝিনাইদহ সিদ্দিকীয়া কামিল মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে জুমার নামাজ শেষে স্থানীয়দের সঙ্গে কুশল বিনিময়কালে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় রাশেদ খাঁন মন্তব্য করেন যে, একই অনুরোধ যদি জামায়াতের আমিরকে করা হতো, তবে তিনি এতদিনে দিল্লিতেই থাকতেন।
জামায়াতে ইসলামীর কঠোর সমালোচনা করে রাশেদ খাঁন অভিযোগ করেন, নিজেদের স্বার্থ হাসিলের জন্য দলটি তাদের শত্রুদের সঙ্গেও আঁতাত করতে দ্বিধা করে না। তিনি আরও বলেন, ভারত ও আওয়ামী লীগের সঙ্গে গোপনে আঁতাত করে দেশকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র চালাচ্ছে জামায়াত। ডিসেম্বরে আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় ফেরানোর লক্ষ্যে জামায়াত অপচেষ্টা চালাচ্ছে এবং তাদের ও আওয়ামী লীগের ভাষা একই সূত্রে গাঁথা বলে তিনি দাবি করেন।
বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংকটকে জাতীয় সমস্যা হিসেবে উল্লেখ করে রাশেদ খাঁন বলেন, সরকার এই সংকট নিরসনে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। এ ক্ষেত্রে বিরোধী দলের গঠনমূলক ভূমিকা প্রত্যাশিত হলেও তারা উল্টো লংমার্চের মতো কর্মসূচি দিচ্ছে। জামায়াতের লংমার্চের সমালোচনা করে তিনি বলেন, চট্টগ্রামে লংমার্চের পর এখন তারা রংপুরের উদ্দেশ্যে কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। এই লংমার্চ এবং আওয়ামী লীগের ডিসেম্বরে ফেরার ঘোষণা দেশকে অশান্ত করার একটি গভীর ষড়যন্ত্রের অংশ।
সবশেষে রাশেদ খাঁন দেশবাসীকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, জনগণের উচিত জামায়াতের প্রকৃত চরিত্র সম্পর্কে সচেতন হওয়া। জ্বালানি সংকট উত্তরণে সরকার যখন সব ধরনের প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে, তখন বিরোধী দলের এই ধরনের কর্মসূচি জনদুর্ভোগ সৃষ্টি ও রাজনৈতিক অস্থিরতা তৈরির অপপ্রয়াস ছাড়া আর কিছুই নয়।






