মুম্বাইয়ের বাড়িতে সেই হামলার পর জীবন নিয়ে নতুন উপলব্ধি সাইফ আলী খানের

প্রকাশ:
Print news

ভয়াবহ কোনো অভিজ্ঞতা মানুষের জীবন দেখার দৃষ্টিভঙ্গি আমূল বদলে দিতে পারে। সাইফ আলী খানের ক্ষেত্রেও ঘটেছে ঠিক তাই। ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে মুম্বাইয়ের বান্দ্রায় নিজের ১২ তলার ফ্ল্যাটে এক অনুপ্রবেশকারীর হামলার শিকার হন এই অভিনেতা। সেই রাতের সহিংসতা ও মৃত্যুর খুব কাছ থেকে ফিরে আসার স্মৃতি আজও তার মনে গেঁথে আছে। ঘটনার এক বছরেরও বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও, সেই অভিজ্ঞতার প্রভাব এখনো তার দৈনন্দিন জীবনযাত্রায় স্পষ্ট।

হামলার সেই রাতে অনুপ্রবেশকারী সাইফকে একাধিকবার ছুরিকাঘাত করে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে দ্রুত লীলাবতী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। মেরুদণ্ডের কাছাকাছি আটকে থাকা ছুরির একটি অংশ অপসারণের জন্য তাকে জরুরি অস্ত্রোপচারের মধ্য দিয়ে যেতে হয় এবং পাঁচ দিন পর তিনি হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পান। এই ঘটনা কেবল তার শারীরিক ক্ষত সৃষ্টি করেনি, বরং তার মানসিক জগতেও গভীর প্রভাব ফেলেছে।

সম্প্রতি ‘গালফ নিউজ’-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সাইফ জানান, আগে তিনি ব্যক্তিগত নিরাপত্তার বিষয়ে খুব একটা গুরুত্ব দিতেন না এবং খোলামেলা জীবনযাপনই পছন্দ করতেন। কিন্তু এই ঘটনার পর তার উপলব্ধি হয়েছে যে, ভাগ্যকে পরীক্ষা করা মোটেও বুদ্ধিমানের কাজ নয়। তিনি এখন মনে করেন, দরজা বন্ধ রাখা এবং মূল্যবান জিনিসের সুরক্ষা নিশ্চিত করা জরুরি। একইসঙ্গে পৃথিবীর অধিকাংশ মানুষের তুলনায় তিনি কতটা সৌভাগ্যবান, সেই বোধটিও তার মধ্যে প্রবল হয়েছে।

সেই রাতের কথা স্মরণ করে সাইফ বলেন, “এটা আসলে আপনাকে ছেড়ে যায় না। আমি শুধু মনে করি, আমি কতটা ভাগ্যবান ছিলাম, কতটা কাছাকাছি চলে গিয়েছিলাম, পুরো ঘটনাটা কতটা সহিংস ছিল এবং কত দ্রুত সবকিছু ঘটেছিল।” তিনি জানান, হামলার সময় যখন তিনি মৃত্যুর মুখোমুখি দাঁড়িয়েছিলেন, তখন তার মনে হয়েছিল জীবন হয়তো শেষ হয়ে আসছে। তবে সেই চরম মুহূর্তেও নিজের কাটানো জীবন নিয়ে এক ধরনের তৃপ্তি ও কৃতজ্ঞতা অনুভব করেছিলেন তিনি।

সাইফের ভাষায়, “দুটি বিষয় ছিল। একটি হলো সেই মুহূর্তটি, আরেকটি হলো সেটি নিয়ে আবেগগতভাবে সামলে ওঠা—যেখানে নিজেকে খুব ভাগ্যবান মনে হয়। একসময় আমার মনে হয়েছিল, এটাই হয়তো শেষ। কিন্তু, একইসঙ্গে মনে হচ্ছিল, আমার জীবনটা অসাধারণ ছিল।” তিনি আরও যোগ করেন, “অ্যাড্রেনালিনের একটা বিষয় আছে, আর যোদ্ধার মতো মৃত্যুর মধ্যেও হয়তো তেমন কিছু থাকে। যখন ঘটনাটি সত্যিই ঘটে, তখন অ্যাড্রেনালিন কাজ করে। আমি বেশ শান্তই ছিলাম এবং মনে আছে, আমার মনে হচ্ছিল—এটি ছিল একেবারেই অসাধারণ একটি জীবন।”

এই কঠিন অভিজ্ঞতা সাইফকে শিখিয়েছে যে, জীবন অত্যন্ত অনিশ্চিত। খ্যাতি বা তারকাখ্যাতির আড়ালে একজন মানুষ হিসেবে বেঁচে থাকার সৌভাগ্য কতটা মূল্যবান, তা তিনি এখন আরও গভীরভাবে অনুভব করেন। সেই রাত এখন তার কাছে কেবল একটি ভয়াবহ স্মৃতি নয়, বরং মৃত্যুর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে পাওয়া এক কঠিন শিক্ষা। তিনি এখন প্রতিটি মুহূর্তের মূল্য বুঝে সচেতনভাবে জীবন অতিবাহিত করতে পছন্দ করেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: নিরাপত্তা নিয়ে আগের চেয়ে অনেক বেশি সতর্ক অভিনেতা। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: সাইফের উপলব্ধি, জীবনে সতর্কতার বিকল্প নেই। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: প্রতিদিনের ছোট ছোট নিরাপত্তাবিধিও কখনো বড় বিপদ থেকে রক্ষা করতে পারে—সেই সত্যই যেন আরো গভীরভাবে বুঝেছেন তিনি। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তবে, শারীরিক ক্ষত সেরে উঠলেও ঘটনার মানসিক ছাপ পুরোপুরি মুছে যায়নি। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ভয়, অনিশ্চয়তা আর মৃত্যুর আশঙ্কার মধ্যেও তার মনে হয়েছিল, জীবনের পথচলাটা ছিল পরিপূর্ণ।

শেয়ার করুন
শিরোনাম :
সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের পর জাতীয় স্টেডিয়ামে ফিরছে ঘরোয়া ফুটবলের আমেজ রাজনৈতিক ক্ষমতার চেয়ে আখিরাতের মুক্তিই বড় লক্ষ্য: এটিএম আজহারুল ইসলাম ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে ৩৫ পদে নিয়োগ: প্রভাষক ও সহকারী অধ্যাপকসহ আবেদনের সুযোগ মুম্বাইয়ের বাড়িতে সেই হামলার পর জীবন নিয়ে নতুন উপলব্ধি সাইফ আলী খানের ওয়ালটনের প্রযুক্তিপণ্য উৎপাদন সক্ষমতা দেখে অভিভূত সমাজকল্যাণমন্ত্রী ২০২৭ সালের হজের নিবন্ধন শেষ হচ্ছে ২৪ সেপ্টেম্বর, সময় বাড়ানো হবে না ব্রিকস সম্মেলন: নয়াদিল্লিতে পুতিন, বিশ্বনেতাদের মিলনমেলায় ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতার ছায়া প্রবাসীদের পাসপোর্ট ও এনআইডি সেবা সহজ করতে ৪১ দেশে কার্যক্রম সম্প্রসারণের উদ্যোগ সফল হতে বিল গেটসের ৫টি গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ ৫৭ বছরে পদার্পণ: জন্মদিন নিয়ে কনক চাঁপার ভাবনা চ্যাম্পিয়ন্স লীগে মুসিয়ালার জাদুকরী প্রত্যাবর্তন, বায়ার্নের বড় জয় জয়পুরহাটের ক্ষেতলালে বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে গৃহবধূর অনশন বর্তমান জীবন নিয়ে বেশ শান্তিতে আছি: জন্মদিনে জানালেন চিত্রনায়িকা পপি উজান থেকে পাহাড়ি ঢল: চার দিন পর আবারও কাপ্তাই বাঁধের ১৬ জলকপাট খুলে দেওয়া হলো ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের ৫০টি স্থায়ী কমিটি গঠন সম্পন্ন নির্বাচনে জিতলে প্রত্যেক আমেরিকানকে ৫ হাজার ডলার দেওয়ার প্রতিশ্রুতি ট্রাম্পের নভেম্বরের নির্বাচনে জয়ী হলে মার্কিনিদের ৫ হাজার ডলার ‘ট্রাম্প ডিভিডেন্ড’ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি হুতিদের বিরুদ্ধে সরাসরি সামরিক হামলার অনুরোধ সৌদি যুবরাজের, ট্রাম্পের প্রত্যাখ্যান ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় লুডু খেলা নিয়ে বিবাদের জেরে দিনমজুরের মৃত্যু বাংলাদেশের সঙ্গে টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলতে আগ্রহী নেপাল, ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের পর জাতীয় স্টেডিয়ামে ফিরছে ঘরোয়া ফুটবলের আমেজ রাজনৈতিক ক্ষমতার চেয়ে আখিরাতের মুক্তিই বড় লক্ষ্য: এটিএম আজহারুল ইসলাম ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে ৩৫ পদে নিয়োগ: প্রভাষক ও সহকারী অধ্যাপকসহ আবেদনের সুযোগ মুম্বাইয়ের বাড়িতে সেই হামলার পর জীবন নিয়ে নতুন উপলব্ধি সাইফ আলী খানের ওয়ালটনের প্রযুক্তিপণ্য উৎপাদন সক্ষমতা দেখে অভিভূত সমাজকল্যাণমন্ত্রী ২০২৭ সালের হজের নিবন্ধন শেষ হচ্ছে ২৪ সেপ্টেম্বর, সময় বাড়ানো হবে না ব্রিকস সম্মেলন: নয়াদিল্লিতে পুতিন, বিশ্বনেতাদের মিলনমেলায় ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতার ছায়া প্রবাসীদের পাসপোর্ট ও এনআইডি সেবা সহজ করতে ৪১ দেশে কার্যক্রম সম্প্রসারণের উদ্যোগ সফল হতে বিল গেটসের ৫টি গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ ৫৭ বছরে পদার্পণ: জন্মদিন নিয়ে কনক চাঁপার ভাবনা চ্যাম্পিয়ন্স লীগে মুসিয়ালার জাদুকরী প্রত্যাবর্তন, বায়ার্নের বড় জয় জয়পুরহাটের ক্ষেতলালে বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে গৃহবধূর অনশন বর্তমান জীবন নিয়ে বেশ শান্তিতে আছি: জন্মদিনে জানালেন চিত্রনায়িকা পপি উজান থেকে পাহাড়ি ঢল: চার দিন পর আবারও কাপ্তাই বাঁধের ১৬ জলকপাট খুলে দেওয়া হলো ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের ৫০টি স্থায়ী কমিটি গঠন সম্পন্ন নির্বাচনে জিতলে প্রত্যেক আমেরিকানকে ৫ হাজার ডলার দেওয়ার প্রতিশ্রুতি ট্রাম্পের নভেম্বরের নির্বাচনে জয়ী হলে মার্কিনিদের ৫ হাজার ডলার ‘ট্রাম্প ডিভিডেন্ড’ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি হুতিদের বিরুদ্ধে সরাসরি সামরিক হামলার অনুরোধ সৌদি যুবরাজের, ট্রাম্পের প্রত্যাখ্যান ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় লুডু খেলা নিয়ে বিবাদের জেরে দিনমজুরের মৃত্যু বাংলাদেশের সঙ্গে টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলতে আগ্রহী নেপাল, ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক