সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহ
- চুয়েট উপাচার্য: ৩০ ঘণ্টা অবরুদ্ধ থাকার পর ডিসি-এসপি কর্তৃক উদ্ধার।
- ডেঙ্গু পরিস্থিতি: ২৪ ঘণ্টায় ৯ জনের মৃত্যু ও হাসপাতালে ১৯৫৪ জন ভর্তি।
- ক্রীড়া সংবাদ: আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে সুযোগ নষ্টের আক্ষেপে শান্ত।
- অর্থনৈতিক প্রভাব: ইরান যুদ্ধের জেরে কাতারের রাজস্বে ৪২ শতাংশ ঘাটতি।
- আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া: ট্রাম্পের মন্তব্য, ইরান নেতাদের লক্ষ্যবস্তু করা বাড়াবাড়ি ছিল।
বিচারিক রায় ও মামলার প্রেক্ষাপট
নেত্রকোণার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এ কে এম এমদাদুল হক মঙ্গলবার বিকেলে এক গুরুত্বপূর্ণ রায় ঘোষণা করেছেন। ২০০৮ সালে দায়ের করা একটি মিথ্যা মামলায় ভুক্তভোগীকে প্রায় দুই মাস কারাবাস করতে বাধ্য করার দায়ে লিপি আক্তার (৩৯) নামের এক নারীকে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। দণ্ডপ্রাপ্ত লিপি বারহাট্টা উপজেলার বিক্রমশ্রী গ্রামের বাসিন্দা। সশ্রম কারাদণ্ডের পাশাপাশি আদালত তাকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন, যা অনাদায়ে আরও তিন মাস কারাভোগ করতে হবে। রায় ঘোষণার সময় লিপি আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
তদন্তে উঠে এসেছে, লিপি আক্তার ২০০৮ সালে একই গ্রামের কামাল উদ্দিনের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ এনে মামলা করেছিলেন। সেই সময় তিনি আট মাসের অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার দাবিও করেছিলেন। উক্ত মামলায় পুলিশ কামালকে গ্রেপ্তার করলে তিনি প্রায় দুই মাস কারাগারে ছিলেন। পরবর্তীতে শিশু জন্মের পর ডিএনএ পরীক্ষায় এটি প্রমাণিত হয় যে, কামাল শিশুটির জৈবিক বাবা নন। দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়ার পর ২০১৯ সালে আদালত কামালকে ধর্ষণের অভিযোগ থেকে খালাস প্রদান করেন।
পরবর্তীতে মিথ্যা অভিযোগে কারাভোগের প্রতিকার চেয়ে কামাল ২০২০ সালে লিপি আক্তারের বিরুদ্ধে পাল্টা মামলা দায়ের করেন। দীর্ঘদিন ধরে সাক্ষ্যপ্রমাণ পর্যালোচনা শেষে আদালত লিপিকে অপরাধী সাব্যস্ত করে এ রায় দেন।
অন্যান্য অপরাধ সংক্রান্ত তথ্য
- নারী নির্যাতন: সন্তানের সামনে ধর্ষণের অভিযোগে একজন কারাগারে।
- সংশ্লিষ্ট মামলা: সাভারে মাদ্রাসাশিক্ষার্থী ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি গ্রেপ্তার।
- আইনি সময়সীমা: শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলার ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের রায় ৩১ আগস্ট পর্যন্ত পিছিয়েছে।
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
- আফগানিস্তানকে কৃতিত্ব দিলেও সুযোগ নষ্টের আক্ষেপ শান্তর।





