সরকারের ছয় মাসের কার্যক্রম পর্যালোচনার পর মন্ত্রিসভায় বড় ধরনের রদবদল ও সম্প্রসারণের আলোচনা এখন তুঙ্গে। কয়েকটি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পুনর্বণ্টনের পাশাপাশি নতুন কয়েকজনকে মন্ত্রিসভায় যুক্ত করার প্রক্রিয়া চলছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, মন্ত্রিসভায় রদবদল ও সম্প্রসারণের মাধ্যমে নতুন করে ৬ থেকে ৭ জনের জায়গা হতে পারে। এ বিষয়ে শুক্রবার বা শনিবারের মধ্যেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসার সম্ভাবনা রয়েছে।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের উচ্চপদস্থ এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, নতুন সদস্যদের শপথের জন্য প্রয়োজনীয় ফোল্ডার, দাওয়াতপত্রসহ সব ধরনের প্রস্তুতি নিতে বলা হয়েছে। সরকারি যানবাহন অধিদপ্তরকে ৩ থেকে ৫টি গাড়ি প্রস্তুত রাখতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, যার মধ্যে পতাকার স্ট্যান্ডবাহী গাড়ি ও নির্ধারিত চালকও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। শুক্রবার সন্ধ্যা ৭টায় রাষ্ট্রপতির শপথ অনুষ্ঠানের পরপরই নতুন মন্ত্রীদের শপথ হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
মন্ত্রিসভায় এবার বিএনপির সিনিয়র নেতা এবং জোটের শরিক দলের নেতাদের অন্তর্ভুক্তির জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে। সম্ভাব্য তালিকায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান, ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল এবং যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেলের নাম শোনা যাচ্ছে। এছাড়া বিজেপি চেয়ারম্যান আন্দালিভ রহমান পার্থ এবং টেকনোক্রেট কোটায় মাহমুদুর রহমান মান্নাকে মন্ত্রী করার বিষয়েও আলোচনা চলছে।
মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্তির তালিকায় আরও রয়েছেন বান্দরবান থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য সাচিং প্রু জেরী এবং গাইবান্ধা-৪ আসনের এমপি মোহাম্মদ শামীম কায়সার। এদিকে, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ায় তার হাতে থাকা স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পুনর্বণ্টন করা হবে। শোনা যাচ্ছে, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় সালাহউদ্দিন আহমদকে এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব শহীদ উদ্দিন চৌধুরীকে দেওয়া হতে পারে। এছাড়া আরও কয়েকটি মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বে পরিবর্তন আনার বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীর সক্রিয় বিবেচনায় রয়েছে।






