জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর রোববার রাত ১১টার পর থেকে চুয়াডাঙ্গা শহর ও জেলার বিভিন্ন এলাকার অধিকাংশ ফিলিং স্টেশনে পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি আকস্মিকভাবে বন্ধ হয়ে যায়। এতে মোটরসাইকেলসহ বিভিন্ন যানবাহনের চালকরা গভীর রাতে চরম ভোগান্তিতে পড়েন। শহরের মোজাম্মেল হক ফিলিং স্টেশন, জোয়ার্দার পেট্রোলিয়াম ও দৌলতদিয়া এলাকার দুটি পাম্পসহ বিভিন্ন স্টেশনে তেল না পাওয়ার অভিযোগ পাওয়া যায়। মোজাম্মেল হক ফিলিং স্টেশনে দেখা যায়, পাম্প বন্ধ থাকলেও মিটার চালু রয়েছে এবং কর্মচারীরা ভেতরে অবস্থান করলেও কোনো গ্রাহককে তেল দেওয়া হচ্ছে না।
গ্রাহকদের অভিযোগ ও ভোগান্তি
- গ্রাহকদের দাবি, পাম্পগুলোতে পর্যাপ্ত জ্বালানি তেল থাকা সত্ত্বেও নতুন বাড়তি মূল্যে বিক্রির আশায় কৃত্রিম সংকট তৈরি করে তেল মজুত করা হয়েছে।
- রাজীব নামের এক গ্রাহক বলেন, শহরের তিনটি পাম্প ঘুরেও কোথাও পেট্রোল পাননি। মোটরসাইকেলে তেল না থাকায় এত রাতে বাড়ি ফেরা নিয়ে তিনি শঙ্কার কথা জানান।
- সজীব নামের আরেক চালক জানান, প্রতিদিন এই সময়ে তিনি এখানে তেল নেন, কিন্তু আজ দাম বাড়ার খবরে মজুত করে রাখা হয়েছে বলে মনে করছেন তিনি।
নতুন মূল্য তালিকা ও প্রশাসনের বক্তব্য
নির্ধারিত নতুন মূল্য অনুযায়ী, কেরোসিনের দাম প্রতি লিটার ১৩৫ থেকে বাড়িয়ে ১৫৫ টাকা, পেট্রোল ১৪০ থেকে ১৬০ টাকা এবং অকটেন ১৪৫ থেকে ১৬৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এ বিষয়ে চুয়াডাঙ্গার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক বি. এম. তারিক-উজ-জামান বলেন, পেট্রোলের দাম বাড়ার খবর শুনে কোনো পাম্পে জ্বালানি বিক্রি বন্ধ রাখা হলে তা খতিয়ে দেখা হবে এবং দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।






