যুক্তরাষ্ট্রের আসন্ন মধ্যবর্তী নির্বাচনকে সামনে রেখে এক অভিনব ও চমকপ্রদ প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ডালাসে আয়োজিত রিপাবলিকান পার্টির এক সম্মেলনে তিনি ঘোষণা করেন, নির্বাচনে তার দল জয়ী হলে প্রত্যেক প্রাপ্তবয়স্ক মার্কিন নাগরিককে ৫ হাজার ডলার করে নগদ অর্থ পুরস্কার দেওয়া হবে। এই অর্থকে তিনি ‘ট্রাম্প ডিভিডেন্ড’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। বর্তমান বিনিময় হার অনুযায়ী, এই অর্থের পরিমাণ প্রায় ৬ লাখ ১৫ হাজার টাকা। তবে এই বিশাল অংকের অর্থ কোথা থেকে আসবে বা কীভাবে তা বিতরণ করা হবে, সে বিষয়ে বিস্তারিত কোনো ব্যাখ্যা দেননি প্রেসিডেন্ট। তাত্ত্বিকভাবে এই অর্থের মোট পরিমাণ ১ ট্রিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যেতে পারে। এ প্রসঙ্গে ট্রাম্প কেবল মন্তব্য করেছেন যে, তার দেশ বর্তমানে প্রচুর অর্থ উপার্জন করছে।
উল্লেখ্য যে, এই নির্বাচন প্রেসিডেন্ট পদের জন্য নয়। স্বাভাবিক নিয়ম অনুযায়ী, ডোনাল্ড ট্রাম্পের বর্তমান মেয়াদ ২০২৯ সাল পর্যন্ত বহাল থাকবে। তবে কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে রিপাবলিকানদের জন্য এই নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সমাবেশে উপস্থিত সমর্থকদের উদ্দেশে ট্রাম্প বলেন, রিপাবলিকানরা জিতলে আপনারাও আমাদের সঙ্গে জিতবেন। তিনি ভোটারদের অনুরোধ করেন যেন তারা তাকেও ব্যালটে একজন প্রার্থী হিসেবে কল্পনা করেন। তিনি বারবার বলেন, ‘আমি ব্যালটে আছি, আমি ব্যালটে আছি—আর মাত্র একবারের জন্য।’
বর্তমানে জনমত জরিপগুলোতে ট্রাম্পের দলের অবস্থান কিছুটা নাজুক। অধিকাংশ জরিপ অনুযায়ী, ট্রাম্পের প্রতি সমর্থনের হার মাত্র ৩০ শতাংশের কাছাকাছি। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি এবং ইরানের বিরুদ্ধে শুরু করা যুদ্ধ নিয়ে ভোটারদের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ রয়েছে। ডিসিশন ডেস্ক এইচকিউর পূর্বাভাস বলছে, নভেম্বরের নির্বাচনে প্রতিনিধি পরিষদে ডেমোক্র্যাটরা ২৩০-২০৫ ব্যবধানে এবং সিনেটে ৫১-৪৯ ব্যবধানে জয় পেতে পারে। তবে ট্রাম্প আশাবাদী যে, আগামী ৩ নভেম্বরের নির্বাচনে সব পূর্বাভাস ভুল প্রমাণিত হবে এবং রিপাবলিকানরা কংগ্রেসের উভয় কক্ষের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে সক্ষম হবে।
এদিকে, বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতির পাশাপাশি আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা ঘটছে। সাগরে ৩ নম্বর সংকেত জারি করা হয়েছে এবং লঘুচাপের প্রভাবে উপকূলীয় এলাকায় ঝড়ের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এছাড়া টুইন টাওয়ার হামলার ২৫ বছর পূর্তিতে বিশ্বজুড়ে বদলে যাওয়া পরিস্থিতি ও মামদানি বিতর্ক নিয়ে চলছে বিশ্লেষণ। অন্যদিকে, ইরান নতুন ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে আগাম হামলা চালানোর দাবি করেছে। এই পরিস্থিতিতে ট্রাম্পের যুদ্ধনীতি নিয়ে সাবেক মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রীর মন্তব্য এবং ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে পুতিনের সঙ্গে ট্রাম্পের দূতদের আলোচনার বিষয়টিও আন্তর্জাতিক মহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব ঢেলে সাজিয়ে তৃণমূল গোছাতে চায় বিএনপি। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: মাহফুজ আনামের কলাম / ফিলিস্তিনিদের ওপর গণহত্যার কথা কি আমরা ভুলে যাচ্ছি। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: হুতিদের ওপর হামলা চালাতে সৌদি যুবরাজের ফোন, ট্রাম্পের প্রত্যাখ্যান। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: নভেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রের বহুল প্রতীক্ষিত মধ্যবর্তী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এই নজিরবিহীন দাবির সঙ্গে মজার একটি কথা জুড়ে দিয়েছেন ট্রাম্প।






