মিরপুরের জাতীয় সুইমিং কমপ্লেক্সে আজ শুরু হচ্ছে চার দিনব্যাপী ম্যাক্স গ্রুপ ৩৫তম জাতীয় সাঁতার, ডাইভিং ও ওয়াটার পোলো প্রতিযোগিতা। এই আসরে অংশ নিচ্ছেন ৭৪টি দলের প্রায় ৫৭২ জন প্রতিযোগী। তবে এবার পদকজয়ী সাঁতারুদের জন্য কোনো ধরনের প্রাইজমানি রাখা হয়নি। গত প্রতিযোগিতায় স্বর্ণপদক বিজয়ীরা দুই হাজার, রৌপ্য বিজয়ীরা এক হাজার এবং ব্রোঞ্জজয়ীরা ৫০০ টাকা করে প্রাইজমানি পেয়েছিলেন। পদক বিজয়ীদের এই আর্থিক সুবিধা বাতিলের বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আমিনুল হক দেওয়ান সজল কোনো স্পষ্ট উত্তর দেননি। অর্থাৎ নতুন করে যোগ হয়নি কিছুই, উল্টো বাদ পড়েছে পদকজয়ীদের আর্থিক স্বীকৃতি।
এর পরিবর্তে রেকর্ডধারীদের উৎসাহিত করার বিষয়টি সামনে এনেছেন ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক। তার ভাষ্যমতে, রেকর্ড গড়লে সাঁতারুরা পাবেন পাঁচ হাজার টাকা পুরস্কার। উল্লেখ্য, গত আসরেও রেকর্ডধারীদের জন্য সমপরিমাণ অর্থ বরাদ্দ ছিল। নতুন এই আয়োজনে সাঁতারে ৪২টি ইভেন্ট থাকছে। এছাড়া ডাইভিংয়ে পুরুষ ও নারী বিভাগে তিনটি করে মোট ছয়টি ইভেন্ট এবং ওয়াটার পোলোসহ মোট ৪৯টি ইভেন্টে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন সাঁতারুরা। পাশাপাশি শারীরিক ও বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী সাঁতারুদের জন্য রাখা হয়েছে একটি প্রদর্শনী ইভেন্ট। ওয়ার্ল্ড অ্যাকোয়াটিক্সের কাঠামো অনুযায়ী গত বছর থেকে পুরুষদের ৮০০ মিটার ফ্রিস্টাইল, নারীদের ১৫০০ মিটার ফ্রিস্টাইল এবং মিশ্র রিলে ইভেন্টগুলো যুক্ত করা হয়েছে। ওয়ার্ল্ড অ্যাকোয়াটিক্সের ইভেন্ট কাঠামোর সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে গত বছর থেকে পুরুষদের ৮০০ মিটার ফ্রিস্টাইল, নারীদের ১ হাজার ৫০০ মিটার ফ্রিস্টাইল, ৪ ী ১০০ মিটার মিক্সড ফ্রিস্টাইল রিলে এবং ৪ ী ১০০ মিটার মিক্সড মিডলে রিলে যুক্ত।
আজ বিকাল ৩টায় যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক এই প্রতিযোগিতার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন। উদ্বোধনী আয়োজনে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বাংলাদেশ নৌবাহিনীর প্রধান ও সুইমিং ফেডারেশনের সভাপতি অ্যাডমিরাল খোন্দকার মিসবাহ উল আজীম এবং সংসদ সদস্য রেজাউল করিম বাদশা। ফেডারেশনের সিনিয়র সহ-সভাপতি ও ম্যাক্স গ্রুপের চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ আলমগীরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই আয়োজনের সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান হবে আগামী ৩১শে অক্টোবর।






