ইসরায়েলের গুরুত্বপূর্ণ সাধারণ নির্বাচনে কোনো পক্ষই স্পষ্ট সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনে সক্ষম হয়নি। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার রাত ১০টায় ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার সময় রেকর্ড ৭৭ দশমিক ৭ শতাংশ ভোটার উপস্থিতি দেখা গেছে, যা ১৯৯৯ সালের পর সর্বোচ্চ। কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, সাধারণ মানুষের আগ্রহের শীর্ষে ছিল এই নির্বাচন। ব্যবসা মন্দায় বন্ধ কর্ণফুলী গার্ডেন সিটি, সংকটে পুরোনো শপিং মলগুলো।
বুথফেরত জরিপের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও তার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী গাদি আইজেনকোটের নেতৃত্বাধীন জোটের মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই চলছে। টস জিতে ব্যাটিং নিল বাংলাদেশ, একাদশে নেই মুশফিক।
বুধবার ভোরে ইসরায়েলের সম্প্রচারমাধ্যম কান ও চ্যানেল ১৩-এর হালনাগাদ জরিপ বলছে, নেতানিয়াহুর জোট ও আইজেনকোটের জোট ৫১টি করে আসন পেতে পারে।
তবে চ্যানেল ১২-এর তথ্যানুযায়ী, নেতানিয়াহুর জোট ৫২টি এবং আইজেনকোটের জোট ৪৯টি আসন পেতে পারে।
নেসেটের ১২০টি আসনের মধ্যে নেতানিয়াহুর লিকুদ পার্টি, অতি ডানপন্থী দল ও কট্টর ধর্মীয় মিত্ররা ৫১ থেকে ৫২টি আসন পাওয়ার আভাস পেয়েছে। অন্যদিকে আইজেনকোটের ইয়াশার পার্টি ও তার ‘চেঞ্জ ব্লক’-এর তিনটি ইহুদি দল প্রায় ৫১টি আসন পেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে তার দল লিকুদ পার্টি একক বৃহত্তম দল হিসেবে উঠে আসতে পারে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
নির্বাচনী ফলাফল নিয়ে বুধবার সমর্থকদের উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে নেতানিয়াহু বলেন, আমাদের একটি শক্তিশালী ডানপন্থী সরকার গঠন করতে হবে। তবে তিনি সরাসরি জয়ের দাবি করেননি। তিনি ইসরায়েলি আরব দলগুলোর সমর্থনে সরকার গঠনের তীব্র বিরোধিতা করেছেন। প্রথম ৩ মাসে এডিপি বরাদ্দের ২ শতাংশও খরচ করতে পারেনি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।
ফলাফল নির্ধারণে আরব দলগুলোর সমর্থন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বুথফেরত জরিপে আরব দলগুলোর জন্য ১৮ থেকে ১৯টি আসনের পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে, যা তাদের জন্য একটি রেকর্ড। উল্লেখ্য, ইসরায়েলের মোট জনসংখ্যার প্রায় এক-পঞ্চমাংশ আরব নাগরিক।
এদিকে বিবিসির তথ্য অনুযায়ী, বুধবার রাত থেকেই আনুষ্ঠানিক ফলাফল প্রকাশ হওয়ার কথা। তবে চূড়ান্ত ফলাফল পেতে কিছুটা সময় লাগতে পারে। কারণ সামরিক বাহিনীর সদস্যদের ভোটসহ প্রায় ছয় লাখ অনুপস্থিত ভোট গণনা করা বাকি রয়েছে, যা মোট ভোটের প্রায় ১০ শতাংশ। এসব ভোট বৃহস্পতিবারের আগে গণনা শেষ হওয়া কঠিন।
চূড়ান্ত ফল নিশ্চিত হওয়ার পর প্রেসিডেন্ট রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা করবেন। এরপর সরকার গঠনের সম্ভাবনা বেশি এমন কোনো দলীয় নেতাকে দায়িত্ব গ্রহণের আমন্ত্রণ জানানো হবে। এই প্রক্রিয়ায় কয়েক সপ্তাহ সময় ব্যয় হতে পারে। যদি কোনো পক্ষ সরকার গঠনে ব্যর্থ হয়, তবে শেষ পর্যন্ত দেশটিতে আবারও নতুন নির্বাচনের সম্ভাবনা তৈরি হবে। আওয়ামী লীগ কোনো রাজনৈতিক দল নয়, ফ্যাসিস্টদের ক্লাব: শফিকুর রহমান। এশিয়া কাপ আর্চারি: আরেকটি ফাইনালে বন্যা, চমক দেখালেন সাইমা। তেল-গ্যাস আমদানি বিল পরিশোধের চাপে বাড়ছে ডলারের দাম।






