বন্ধু হত্যার দায়ে কুয়েতের একটি ফৌজদারি আদালত এক বাংলাদেশি প্রবাসীকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন। দেশটির পাবলিক প্রসিকিউশনের তথ্য অনুযায়ী, গত মঙ্গলবার এই রায় ঘোষণা করা হয়। পূর্বপরিকল্পিতভাবে ছুরিকাঘাত করে হত্যার অপরাধে তাকে এই দণ্ড দেওয়া হয়েছে। কুয়েতের পাবলিক প্রসিকিউশনের তথ্যের বরাতে আজ বুধবার গালফ নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গতকাল দেশটির আদালত এ রায় দেন। ওই ব্যক্তিকে ইচ্ছাকৃত ও পূর্বপরিকল্পিত হত্যার দায়ে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে।
কৌঁসুলিরা জানিয়েছেন, নিহত ব্যক্তি আসামির স্ত্রীর কিছু ব্যক্তিগত ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করেছিলেন। এ নিয়ে স্ত্রীর সঙ্গে তার টানপোড়েন বেড়ে যায়।
আসামি বারবার সেগুলো মুছে ফেলার অনুরোধ জানালেও ভুক্তভোগী তাতে রাজি হননি। আসামি আদালতকে জানান, তার বন্ধুর অনুমতি ছাড়া ছবিগুলো তোলা হয়েছিল এবং তিনি আগের ছবিগুলো ডিলিট না করে উল্টো আরও নতুন ছবি পোস্ট করছিলেন। আসামি আদালতকে জানান, তার বন্ধু তার স্ত্রীর সম্মতি ছাড়াই তাদের বাড়িতে বেড়াতে গিয়ে ছবিগুলো তুলেছিলেন।
এ ধরনের কর্মকাণ্ডের কারণে আসামির পারিবারিক জীবনে টানাপোড়েন তৈরি হয়। এই বিরোধের জেরে তিনি প্রতিশোধ নেওয়ার পরিকল্পনা করেন। পরিকল্পনা অনুযায়ী, তিনি একটি ছুরি সংগ্রহ করেন এবং ভুক্তভোগীর কর্মস্থলের বাইরে তার বের হওয়ার অপেক্ষায় ওত পেতে থাকেন।
ভুক্তভোগী কর্মস্থল থেকে বাইরে আসার পর আসামি তার ওপর হামলা চালান। তিনি মাথা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করেন। আদালতের বিচারিক কার্যক্রমে আসামি নিজেই হত্যার দায় স্বীকার করে নিয়েছেন। আদালতের কার্যক্রম চলাকালে আসামি অভিযোগ স্বীকার করে নেন।






