পশ্চিমবঙ্গের জনপ্রিয় অভিনেত্রী শতাব্দী রায়ের বাবা শৈলেন রায় ৮৭ বছর বয়সে না ফেরার দেশে পাড়ি জমিয়েছেন। ক্যানসারের সঙ্গে দীর্ঘ লড়াইয়ে হার মানেন তিনি। বাবাকে হারানোর এক সপ্তাহ পর আজ অভিনেত্রী নিজেই এই দুঃসংবাদটি প্রকাশ্যে এনেছেন।
বাবা-মায়ের স্মরণে আবেগঘন বার্তা
সোশ্যাল মিডিয়ায় বাবা-মায়ের কিছু ছবি দিয়ে একটি ভিডিও শেয়ার করেছেন শতাব্দী। ক্যাপশনে তিনি লেখেন, “বাবাও চলে গেল। এই ভারী সত্যটি মেনে নেওয়ার ভাষা নেই। হয়তো মা ও বাবার অনন্ত প্রেমের টানেই তারা আবার এক হয়েছে। পরজন্মে আবার আমার বাবা-মা হয়েই এসো।”
আকস্মিক মৃত্যু ও অসুস্থতা
- ফুসফুসে ক্যানসার ধরা পড়লে গত ৩০ আগস্ট শৈলেন রায়কে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
- মাত্র ১৫ দিনের চিকিৎসায় সব শেষ। ঘুম থেকে আর ওঠেননি তিনি।
- শতাব্দী জানান, বাবার সুগার বা প্রেসারের কোনো সমস্যা ছিল না। তিনি কাউকে কষ্ট না দিয়েই শান্তিতে মারা গেছেন।
অভিনেত্রীর ক্যারিয়ারে বাবার অবদান
শতাব্দী রায় তার বাবার অবদানের কথা কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করেন। তিনি বলেন, “সব বাবা-মায়েরাই সন্তানের জন্য অনেক কিছু করেন। আমাকে প্রতিষ্ঠিত করতে বাবার অবদান ছিল অসীম। রোদ, ঝড় বা বৃষ্টি—প্রতিদিন শুটিংয়ে আমার সঙ্গে থাকতেন বাবা। তার না থাকার এই শূন্যতা মেনে নেওয়া আমার পক্ষে অসম্ভব।” প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: শোকস্তব্ধ এই অভিনেত্রী বলেন, “সকলের মা-বাবাই তাদের কাছে প্রিয়। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ভারতীয় একটি গণমাধ্যমে শতাব্দী রায় বলেন, “আসলে বাবার মৃত্যুটা এত আকস্মিক যে, এখনো বিষয়টির সঙ্গে ঠিক ধাতস্থ হইনি। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: শুধু একটাই বিষয়, বাবা কষ্টও পেল না, দিলও না কাউকে। ”। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: কী যে হারালাম ভাষায় প্রকাশ করতে পারব না। ”।



