আশির দশকের ফ্যাশন ও সাজসজ্জার ধারা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার কল্যাণে বর্তমানে নতুন করে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। এই ট্রেন্ড নিয়ে নিজের মতামত জানিয়েছেন আশির দশকের সাড়া জাগানো অভিনেত্রী রতি অগ্নিহোত্রী। ‘এক দুজে কে লিয়ে’ (১৯৮১) ও ‘কুলি’ (১৯৮৩)-এর মতো জনপ্রিয় সিনেমার এই অভিনেত্রী বর্তমান তরুণ প্রজন্মের পুরোনো দিনের সাজ নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষাকে ইতিবাচকভাবেই দেখছেন। তার মতে, তরুণরা এই লুক নিয়ে আনন্দ করছেন, যা বেশ উপভোগ্য একটি বিষয়।
তবে রতি মনে করেন, ফ্যাশন ফিরে এলেও আশির দশকের সেই আসল আবহ বা আত্মা বর্তমান সাজে অনুপস্থিত। তার ভাষ্যমতে, সেই সময়ের স্বাদ, স্বকীয়তা এবং রঙের যে অনন্য বৈশিষ্ট্য ছিল, তা এখনকার আয়োজনে পাওয়া যাচ্ছে না। তিনি বলেন, “আমরা এসব করে ফেলেছি, সেই সময়টা পার করে এসেছি। এখন তরুণরা আবার সেই লুক নিয়ে মজা করছেন, বিষয়টি ভালোই লাগছে।”
সেই সময়ের সাজসজ্জার কিছু নির্দিষ্ট দিক নিয়ে স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে রতি জানান, তখনকার মেকআপ আজকের মতো অতিরিক্ত কেকি ছিল না, আবার এখনকার মতো নিখুঁতভাবে ব্লেন্ডও করা হতো না। তিনি উল্লেখ করেন, তখনকার দিনে ‘প্যানস্টিক’ ব্যবহার করা হতো, যা বর্তমানে ‘কনসিলার’ নামে পরিচিত। এছাড়া সেই সময়ের সঠিক লুক ফুটিয়ে তুলতে চোখের সাজে নাটকীয়তা এবং ঠোঁটের স্পষ্ট রূপ ফুটিয়ে তোলা জরুরি ছিল। তখনকার মেকআপে ন্যুড শেডের বদলে কিছুটা নরম বা মিউটেড রঙের প্রাধান্য থাকত।
তবে সব ফ্যাশন ফিরে আসুক, তা চান না এই অভিনেত্রী। বিশেষ করে আশির দশকের অদ্ভুত নকশার চোলি বা ব্লাউজ নিয়ে তিনি মজা করে বলেন, “সেগুলো দেখতে দুটি শঙ্কুর বা কোনের মতো ত্রিভুজাকৃতি লাগত!” সব মিলিয়ে, পুরোনো দিনের সাজের প্রতি বর্তমান প্রজন্মের আগ্রহ থাকলেও রতির দৃষ্টিতে সেই সময়ের মৌলিকতা ও আত্মা বর্তমান ফ্যাশন ট্রেন্ডে পুরোপুরি ধরা পড়ছে না।






