রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়ায় আখক্ষেত থেকে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় নবীরন বেগম (৫৫) নামের এক নারীর মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত মো. রফিকুল মৃধাকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। শুক্রবার রাতে ফরিদপুর এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন র্যাব-১০, সিপিসি-৩ (ফরিদপুর ক্যাম্প)-এর সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (মিডিয়া) তপন সরকার। তিনি জানান, এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানাতে শনিবার দুপুর ১২টায় ফরিদপুর র্যাব-১০ ক্যাম্পে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে।
ঘটনার সূত্রপাত গত বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ৯টার দিকে। দৌলতদিয়া ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের আইনদ্দীন প্রামাণিক পাড়া এলাকায় রফিকুল মৃধার পুকুরপাড় সংলগ্ন একটি আখক্ষেত থেকে নবীরন বেগমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত নবীরন বেগম ওই উপজেলার দুলাল বেপারী পাড়ার আব্দুর রহিম শেখের স্ত্রী ছিলেন। এ ঘটনায় নিহতের মেয়ে জুলেখা আক্তার বাদী হয়ে গোয়ালন্দ ঘাট থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন।
মরদেহ উদ্ধারের পর থেকেই স্থানীয় পর্যায়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। পরিবারের পক্ষ থেকে প্রথমে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যুর দাবি করা হলেও, স্থানীয়দের অভিযোগ ছিল যে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় মরদেহ উদ্ধারের ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার জন্য মোটা অংকের অর্থ লেনদেনের চেষ্টা করা হয়েছিল। ঘটনার পরপরই পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজবাড়ী সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। পুলিশ জানিয়েছে, ময়নাতদন্তের চূড়ান্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পরই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া সম্ভব হবে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এ ঘটনায় গতকাল তার মেয়ে জুলেখা আক্তার গোয়ালন্দ ঘাট থানায় একটি মামলা করেন।






