ব্যাটিংয়ে বড় ধরনের ব্যর্থতার মুখে পড়লেও বোলারদের বিধ্বংসী পারফরম্যান্সে ভর করে স্বস্তির জয় পেয়েছে বাংলাদেশ। আরব আমিরাতকে ৩৪ রানে হারিয়ে ২০১৮ সালের চ্যাম্পিয়নরা নারী এশিয়া কাপের সেমিফাইনাল নিশ্চিত করেছে। বি গ্রুপের রানার্সআপ হিসেবে আগামী বৃহস্পতিবার ভারতের বিপক্ষে শেষ চারের লড়াইয়ে নামবে নিগার সুলতানার দল।
গ্রুপের শেষ ম্যাচে আগে ব্যাট করতে নেমে বাংলাদেশ মাত্র ১০৩ রানে গুটিয়ে যায়। ইনিংসের শুরুতে ৮ রানে ২ উইকেট হারানোর পর জুরাইরা ও অধিনায়ক নিগার সুলতানা ২৯ রানের একটি জুটি গড়ে বিপর্যয় সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেন। তবে এরপরই ব্যাটিং ধস নামে এবং ৫৫ রান তুলতেই ৬ উইকেট হারিয়ে ফেলে বাংলাদেশ। শেষ পর্যন্ত শারমিন আক্তার ও নাহিদা আক্তারের ৪২ রানের গুরুত্বপূর্ণ জুটির কল্যাণে বাংলাদেশ সম্মানজনক সংগ্রহ পায়। শারমিন ৩১ বলে ইনিংস সেরা ৩৮ রান করেন, এছাড়া নাহিদা ১৬ এবং নিগার ২৩ রান সংগ্রহ করেন।
ছোট পুঁজি নিয়েও জয়ের লক্ষ্যে বল হাতে শুরু থেকেই দুর্দান্ত ছিলেন মারুফা আক্তার। অধিনায়ক জ্যোতির আস্থার প্রতিদান দিয়ে প্রথম ১০ ওভারের মধ্যেই নিজের কোটা পূর্ণ করেন তিনি। মাত্র ৯ রান খরচায় ২ উইকেট শিকার করে প্রতিপক্ষের ওপর চাপ সৃষ্টি করেন মারুফা। ইনিংসের চতুর্থ ওভারে ইশা ওঝা এবং পঞ্চম ওভারে সামাইরা ধারনিধারকাকে ফিরিয়ে আরব আমিরাতকে কোণঠাসা করে ফেলেন তিনি। পাওয়ার প্লের ৬ ওভারে আমিরাত মাত্র ১৫ রান তুলতে সক্ষম হয়।
পাওয়ার প্লের পরও বাংলাদেশের বোলাররা নিয়মিত বিরতিতে উইকেট তুলে নিয়ে ম্যাচ নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রাখেন। দলীয় ২২ রানে রাবেয়া খাতুন রিনিথা রাজিথকে সাজঘরে ফেরান। এরপর সুলতানা খাতুন ১৪ রানের জুটি ভেঙে তীর্থ সাথিসকে আউট করেন। ২ রানের ব্যবধানে নাহিদা আক্তার লাবন্য কেনিকে ফিরিয়ে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ আরও মজবুত করেন। দলীয় ৫৬ রানে হেনা আউট হওয়ার পর আরব আমিরাত ম্যাচ থেকে পুরোপুরি ছিটকে যায়। হেনা ১৯ বলে ২ চারে ১৮ রান করেন। শেষ পর্যন্ত ১৪ রান দিয়ে ৩ উইকেট নেন রাবেয়া এবং নাহিদা ২ উইকেট শিকার করে দলের জয় নিশ্চিত করেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: শারমিন ও নাহিদার ৪২ রানের জুটি না হলে বাংলাদেশ বড় বিপদে পড়ত।






