
সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি থেকে থাইল্যান্ডে শুরু হওয়া প্রবল বৃষ্টি ও আকস্মিক বন্যায় জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। গত ১৬ সেপ্টেম্বর থেকে এ পর্যন্ত বন্যায় অন্তত আটজনের মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করেছে বার্তা সংস্থা এএফপি। দেশটির দুর্যোগ প্রতিরোধ ও ব্যবস্থাপনা বিভাগ (ডিডিপিএম) জানায়, সা কায়েও প্রদেশে পাঁচজন, চানথাবুরিতে দুজন এবং সারাবুরিতে একজনের মৃত্যু হয়েছে। কমেছিল হাম, সেপ্টেম্বরে দৈনিক গড় শনাক্ত বেড়ে ১২২৯। থাইল্যান্ডে বন্যায় মৃত ৮, ব্যাংকককে ‘দুর্যোগকবলিত’ ঘোষণা। পাটগ্রামে মহাসড়কে অটোরিকশায় ট্রাকের ধাক্কা, নিহত ৩। সা কায়েওতে ৫ জন, চানথাবুরিতে ২ জন ও সারাবুরিতে একজন মারা গেছেন।
বন্যার কারণে রাজধানী ব্যাংককে জরুরি অবস্থা জারি করে কর্তৃপক্ষ। যদিও রাজধানীতে এখন পর্যন্ত কোনো প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি। তবে শহরের অন্তত ৫২ হাজার পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং প্রায় ৪৮ ঘণ্টা ধরে চলা ভারী বৃষ্টির ফলে সৃষ্ট জলাবদ্ধতায় সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা বিঘ্নিত হয়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় অনেক স্কুল বন্ধ রাখা হয়েছে এবং কর্মীদের বাসা থেকে কাজ করার পরামর্শ দিয়েছে প্রশাসন। বিশ্লেষণ / মধ্যপ্রাচ্যের তেল-গ্যাস বন্ধ হলে কোন পথে যাবে বিশ্ব। প্রবল বৃষ্টিতে ডুবেছে রাজধানী ব্যাংকক। তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।
ডিডিপিএম জানিয়েছে, সারা দেশে বন্যায় প্রায় পাঁচ লাখের বেশি পরিবার এবং ১৭ লাখ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সরকারের মুখপাত্র এক্কাপোব পিয়ানপিসেস এক ব্রিফিংয়ে জানিয়েছেন, নিষ্কাশনব্যবস্থা কার্যকর হওয়ায় অনেক জায়গায় পানির উচ্চতা কিছুটা কমেছে, তবে পূর্বাঞ্চলীয় এলাকাগুলোতে এখনো জনদুর্ভোগ রয়ে গেছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, বিগত বছরগুলোর তুলনায় এবারের বন্যা পরিস্থিতি অনেক বেশি ভয়াবহ। সেপ্টেম্বর মাসকে থাইল্যান্ডের সবচেয়ে বৃষ্টিবহুল মাস হিসেবে গণ্য করা হয়।
সম্পাদক ও প্রকাশক: পায়েল হোসেন রিন্টু,
মেইল: bdnewspost5@gmail.com
মোবাইল: 01713814445
২৮-সি-৪ শাকের প্লাজা, লেভেল-৫, টয়েনবি সার্কুলার রোড, মতিঝিল, ঢাকা-১০০০