
এশিয়ান গেমস থেকে জ্বর নিয়ে দেশে ফিরেছেন টেস্ট দলের অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। শারীরিক অসুস্থতার কারণে আজ রাতে সংযুক্ত আরব আমিরাতগামী বাংলাদেশ দলের সঙ্গে প্রথম দফায় যেতে পারছেন না তিনি। বিসিবির ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের ব্যবস্থাপক শাহরিয়ার নাফীস জানিয়েছেন, সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে শান্তকে এশিয়ান গেমস থেকে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। গতকাল রাতে দেশে ফেরার পর আজ তিনি চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়েছেন। শান্ত বর্তমানে সুস্থতার দিকে এগোচ্ছেন এবং আশা করা হচ্ছে, দ্রুত সুস্থ হয়ে তিনি দলের সঙ্গে যোগ দেবেন। টেস্ট সিরিজ শুরুর আগেই তিনি দুবাই পৌঁছে যাবেন বলে ক্রিকেট বোর্ড আশাবাদী। এদিকে এশিয়ান গেমসে অংশ নেওয়া জাতীয় দলের অন্যান্য ক্রিকেটাররা আগামী ৩রা অক্টোবর নিজেদের ম্যাচ শেষ করে সরাসরি মূল দলের সঙ্গে যুক্ত হবেন। আমরা যতটুকু জানতে পেরেছি, সে সুস্থতার দিকে এগোচ্ছে। একটা ট্রাই নেশন ওয়ানডে টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণ করবে বাংলাদেশ।
আজ রাত সোয়া ১০টার ফ্লাইটে টেস্ট দলের একটি অংশ আরব আমিরাতের উদ্দেশে রওনা হবে। আগামী ৪ ও ৫ অক্টোবর স্বাগতিক দলের বিপক্ষে দুই দিনের একটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবে বাংলাদেশ। অধিনায়ক শান্ত এই ম্যাচের আগেই দলের সঙ্গে যোগ দেবেন বলে নাফীস আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন। তিনি বলেন, 'আগামীকাল শান্ত দলের সঙ্গে যেতে পারছে না ঠিকই, তবে আমাদের মূল সিরিজ শুরু হতে এখনও সময় আছে। ৫ অক্টোবর থেকেই আমাদের মূল কার্যক্রম শুরু হচ্ছে। আশা করি আমরা তাকে সুস্থ অবস্থায় সময়মতো পাব।'
আগামী ৯ অক্টোবর আবুধাবিতে আফগানিস্তানের বিপক্ষে টেস্ট ম্যাচে মাঠে নামবে বাংলাদেশ দল। এরপর ১৭ অক্টোবর একই ভেন্যুতে শুরু হবে তিন জাতি সিরিজ। ১৯ অক্টোবর আফগানিস্তান ও জিম্বাবুয়ে একে অপরের মুখোমুখি হবে এবং ২১ অক্টোবর আফগানিস্তানের বিপক্ষে বাংলাদেশ সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচটি খেলবে। ২৩ অক্টোবর শারজায় অনুষ্ঠিত হবে ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনাল। আবুধাবির তীব্র গরমের কথা উল্লেখ করে নাফীস জানান, সেখানে তাপমাত্রা ৪৫ থেকে ৪৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মতো থাকে। এমন কঠিন কন্ডিশনে খেলোয়াড় ও পেসারদের ব্যবহারের পরিকল্পনা টিম ম্যানেজমেন্ট আগে থেকেই নির্ধারণ করেছে। কন্ডিশন সামলানো নিয়ে নাফীস বলেন, ‘আমরা এখন পর্যন্ত নরমালি যেটা দেখেছি বাংলাদেশ টিম ম্যানেজমেন্ট এই প্রত্যেকটা ফ্যাক্টর চিন্তাভাবনা করেই কিন্তু তাদের দল গঠন করেছে। টিম ম্যানেজমেন্টের যে প্ল্যানিং সেটা তো আমি বলতে পারবো না তবে অবশ্যই এতটুকু আমরা এনশিওর করতে পারি যে প্রত্যেকটা প্লেয়ারের সুস্থতা, তাদের ওয়েল বিয়িং এবং কন্ডিশন এগুলো তো অবশ্যই তাদের বিবেচনায় থাকে।
সামনের দুই-তিন মাসের ব্যস্ত সূচি মাথায় রেখে খেলোয়াড়দের রোটেশন ও বিশ্রামের বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখা হচ্ছে। নাফীস বলেন, 'খেলোয়াড়দের ফিটনেস ও রিয়েলিস্টিক কনসার্নগুলো নিয়ে টিম ম্যানেজমেন্ট কাজ করছে। কার কতটুকু বিশ্রাম প্রয়োজন বা রোটেশন প্রয়োজন, সেই দায়িত্বটি টিম ম্যানেজমেন্ট পালন করছে।' ক্রিকেটারদের চোটের ঝুঁকি কমিয়ে টানা সিরিজে তাদের প্রস্তুত রাখাই বিসিবির বর্তমান পরিকল্পনার মূল লক্ষ্য।
সম্পাদক ও প্রকাশক: পায়েল হোসেন রিন্টু,
মেইল: bdnewspost5@gmail.com
মোবাইল: 01713814445
২৮-সি-৪ শাকের প্লাজা, লেভেল-৫, টয়েনবি সার্কুলার রোড, মতিঝিল, ঢাকা-১০০০