বলিউড তারকা অক্ষয় কুমারের ক্যারিয়ারের শুরুর দিকের কঠিন সময় এবং ব্যক্তিগত জীবনের নানা সমীকরণ নিয়ে মুখ খুলেছেন পরিচালক সুনীল দর্শন। ‘মিনিটস অব মাসালা’-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, নব্বইয়ের দশকে অক্ষয় যখন পেশাগতভাবে বেশ সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছিলেন, তখন শিল্পা শেঠির সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক বেশ গভীর ছিল। ১৯৯৪ সালে ‘ম্যায় খিলাড়ি তু আনারি’ সিনেমার শুটিংয়ের সময় তাদের ঘনিষ্ঠতা বাড়ে।
সুনীল দর্শন বলেন, “সেই সময়ে অক্ষয় ও শিল্পার সম্পর্ক বেশ ভালোই চলছিল। আমার মনে হয়েছিল তারা প্রায় বিয়েই করে ফেলছেন। কিন্তু কিছু ভুল বোঝাবুঝি হয়েছিল, যার কারণে তারা আলাদা হয়ে যান।” তবে সেই ভুল বোঝাবুঝির কারণ সম্পর্কে তিনি বিস্তারিত কিছু জানাননি। উল্লেখ্য, অক্ষয় কুমার পরবর্তীতে ২০০১ সালের ১৭ জানুয়ারি অভিনেত্রী টুইঙ্কেল খান্নাকে বিয়ে করেন। তাদের সংসারে আরাভ কুমার (জন্ম ২০০২) ও নিতারা কুমার (জন্ম ২০১২) নামে দুই সন্তান রয়েছে। অন্যদিকে, শিল্পা শেঠি ২০০৯ সালে ব্যবসায়ী রাজ কুন্দ্রাকে বিয়ে করেন এবং তাদেরও দুই সন্তান রয়েছে।
ক্যারিয়ারের সেই কঠিন সময়ের কথা স্মরণ করে সুনীল দর্শন জানান, একটা সময় প্রযোজকেরা অক্ষয়কে নিয়ে সিনেমা নির্মাণ করতে চাইতেন না, কারণ তার অভিনীত সিনেমার দর্শক চাহিদা কমে গিয়েছিল। সে সময় ‘সপূত’, ‘লাহু কে দো রং’, ‘ইনসাফ: দ্য ফাইনাল জাস্টিস’, ‘দাওয়া’ ও ‘তারাজু’-এর মতো সিনেমাগুলোতে অভিনয় করলেও সাফল্য অধরাই ছিল।
তবে ১৯৯৯ সালের ২৪ ডিসেম্বর মুক্তি পাওয়া সুনীল দর্শন পরিচালিত ‘জানোয়ার’ সিনেমাটি অক্ষয়ের ক্যারিয়ারের মোড় ঘুরিয়ে দেয়। সিনেমাটি বক্স অফিসে হিট হওয়ার পর অক্ষয়ের তারকাখ্যাতি দ্রুত বাড়তে থাকে। এরপর ‘হেরা ফেরি’ ও ‘ধাড়কান’-এর মতো সফল সিনেমাগুলো তার অবস্থান বলিউডে পাকাপোক্ত করে। সুনীল দর্শন বলেন, “এরপর ২৫ বছর ধরে অক্ষয়ের ক্যারিয়ার কেবল ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে। তাকে আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। আমি তার সঙ্গে মোট সাতটি সিনেমা করেছি।” প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: অভিনেতা হিসেবে অক্ষয় কুমারের সংগ্রামের গল্প কারো অজানা নয়। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: পরবর্তীতে তারা বিয়ের পরিকল্পনাও করেছিলেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ইতোমধ্যে দাম্পত্য জীবনে ২৫ বছর পূর্ণ করেছেন তারা। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এ সিনেমা মুক্তির পর অক্ষয়ের ভাগ্য বদলে যায়। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: দীর্ঘদিন ধরে একের পর এক ব্যর্থ সিনেমা উপহার দেওয়ার পর অক্ষয়ের ক্যারিয়ার ঘুরে দাঁড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে সিনেমাটি। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এর আগে ‘সপূত’ (১৯৯৬), ‘লাহু কে দো রং’ (১৯৯৭), ‘ইনসাফ: দ্য ফাইনাল জাস্টিস’ (১৯৯৭), ‘দাওয়া’ (১৯৯৭), ‘তারাজু’ (১৯৯৭)-সহ একাধিক সিনেমায় অভিনয় করেন অক্ষয়। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ‘জানোয়ার’ সিনেমার সাফল্যের পর অক্ষয়ের হাতে নতুন কাজের সুযোগ আসে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: আর যেসব সিনেমা মুক্তির অপেক্ষায় ছিল, সেগুলোর ক্ষেত্রেও নতুন সম্ভাবনা তৈরি করে।






