সাম্প্রতিক গুরুত্বপূর্ণ খবরসমূহ
- রাজনীতি: আওয়ামী লীগ কোনো রাজনৈতিক দল নয়, বরং এটি ফ্যাসিস্টদের ক্লাব বলে মন্তব্য করেছেন শফিকুর রহমান।
- নিরাপত্তা: ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে আইজিপির দেওয়া সাম্প্রতিক বক্তব্য সরকারের অবস্থান নয় বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
- ক্রীড়া: অভিষেক ও সূর্যবংশীর ব্যাটে ওলটপালট হয়েছে ক্রিকেট বিশ্বের রেকর্ড বই।
- আন্তর্জাতিক: নির্বাচনে হেরে গেলে কী করবেন নেতানিয়াহু এবং যুদ্ধের শঙ্কা বাড়ার কারণ বিশ্লেষণ করেছে হারেৎজ।
ঢাকা মেট্রোরেল লাইন-১-এর দুটি গুরুত্বপূর্ণ সিস্টেম প্যাকেজের নকশা ও নির্মাণকাজের জন্য প্রায় ১০০ কোটি ডলারের চুক্তি পেয়েছে ভারতের শীর্ষস্থানীয় অবকাঠামো প্রতিষ্ঠান লারসেন অ্যান্ড টুব্রো (এলঅ্যান্ডটি)। বাংলাদেশের প্রথম পাতাল মেট্রোরেল প্রকল্পের এই চুক্তির আওতায় রেললাইন নির্মাণ, বৈদ্যুতিক ব্যবস্থা, সিগন্যালিং, টেলিযোগাযোগ এবং প্ল্যাটফর্মে স্ক্রিন ডোর স্থাপনের মতো প্রযুক্তিগত কাজ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এরপর এর একটি শাখা লাইন পূর্বাচলের দিকে যাবে।
ইপিসি (প্রকৌশল, ক্রয় ও নির্মাণ) খাতের পাশাপাশি উচ্চপ্রযুক্তির উৎপাদনশিল্পে অভিজ্ঞ এলঅ্যান্ডটি জানিয়েছে, বাংলাদেশে তাদের আগের কাজের সফল অভিজ্ঞতার ধারাবাহিকতায় নতুন এই দায়িত্ব পেয়েছে তারা। এর আগে প্রতিষ্ঠানটি দেশের প্রথম মেট্রোরেল করিডর অর্থাৎ এমআরটি লাইন-৬-এর সমন্বিত রেলওয়ে সিস্টেম প্যাকেজের কাজ সফলভাবে সম্পন্ন করেছিল।
উল্লেখ্য, সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি সম্প্রতি মেট্রোরেল লাইন-১ ও ৫-এর (উত্তর রুট) আটটি নির্মাণ প্যাকেজের অনুমোদন দিয়েছে, যার মোট মূল্য প্রায় ৫৮ হাজার ৫০০ কোটি টাকা। এলঅ্যান্ডটির নিজস্ব প্রতিবেদন কাঠামো অনুযায়ী ৫ হাজার থেকে ১০ হাজার কোটি রুপি মূল্যের চুক্তিকে তারা ‘বড়’ আদেশ হিসেবে চিহ্নিত করে থাকে। এছাড়া জাইকার অর্থায়নে এই প্রকল্পগুলোতে জাপান, চীন ও বাংলাদেশের অন্যান্য ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানও কাজ করছে। এরপরই এলঅ্যান্ডটির চুক্তি পাওয়ার ঘোষণা এলো।
প্রকল্পের তথ্য অনুযায়ী, ৩১ কিলোমিটার দীর্ঘ মেট্রোরেল লাইন-১ দুটি অংশে বিভক্ত।
এর একটি অংশ হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে কমলাপুর পর্যন্ত পাতালপথে এবং অপরটি নতুন বাজার থেকে পূর্বাচল টার্মিনাল পর্যন্ত উড়ালপথে নির্মিত হবে। এই রুটে মোট ১৯টি স্টেশন ও পিতলগঞ্জে একটি ডিপো থাকবে। অন্যদিকে, ২০ কিলোমিটার দীর্ঘ লাইন-৫ (উত্তর রুট) সাভারের হেমায়েতপুর থেকে গাবতলী, মিরপুর-১৪ ও নতুন বাজার হয়ে ভাটারা পর্যন্ত বিস্তৃত হবে।
দেশের অর্থনীতির অন্যান্য খাতের দিকে তাকালে দেখা যায়, জুলাই-সেপ্টেম্বর প্রান্তিকে বিদেশি ঋণ ৪২ শতাংশ কমে ৬৬২ মিলিয়ন ডলারে নেমেছে, যেখানে ঋণ পরিশোধের পরিমাণ ১.৩৫ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে। জুলাই-সেপ্টেম্বরে বিদেশি ঋণ ৪২ শতাংশ কমে ৬৬২ মিলিয়ন ডলার, পরিশোধ ১.৩৫ বিলিয়ন।
এছাড়া ব্যাংকিং খাতে পারিবারিক নিয়ন্ত্রণ কমাতে বাংলাদেশ ব্যাংক কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করছে এবং দীর্ঘ ২০ বছর পর এবার রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের এমডি পদে বেসরকারি খাত থেকে নিয়োগ দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
এদিকে মতিঝিলে খরচের ব্যয় কম হলেও বীমা নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষ আগারগাঁও যেতে আগ্রহী।
অন্যদিকে, আড়াই দিন বন্ধ থাকার পর বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট পুনরায় চালু হয়েছে।






