ভালো চাকরি পাওয়া, নতুন ব্যবসার উদ্যোগ নেওয়া কিংবা উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশে যাওয়ার মতো স্বপ্ন পূরণে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই কীভাবে সহায়ক হতে পারে, তা নিয়ে রাজধানীতে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘এআই বিয়ন্ড: ইয়ুথ সামিট ২০২৬’ (AI & Beyond: Youth Summit 2026)। গত ২৫ অক্টোবর ২০২৬, রোববার জেসিআই ঢাকা ফাউন্ডার্সের আয়োজনে এই সামিটে অংশ নেন ৩৩০ জনেরও বেশি শিক্ষার্থী, চাকরিপ্রার্থী ও তরুণ পেশাজীবী। ভালো চাকরি পাওয়া, নিজের ব্যবসা শুরু করা কিংবা বিদেশে উচ্চশিক্ষার পথ খোঁজা, তরুণদের এমন নানা স্বপ্ন পূরণে এআই-কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে কীভাবে কাজে লাগানো যায়, তা নিয়ে রাজধানীতে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘এআই বিয়ন্ড: ইয়ুথ সামিট ২০২৬।
জেসিআই ঢাকা ফাউন্ডার্সের ২০২৬ সালের লোকাল প্রেসিডেন্ট আফসানা দিয়ার নেতৃত্বে এই আয়োজনের মূল লক্ষ্য ছিল এআইকে কেবল তাত্ত্বিক আলোচনার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে তরুণদের হাতে কাজের বাস্তব হাতিয়ার হিসেবে পৌঁছে দেওয়া। সামিটের পুরো আয়োজনটি সাজানো হয়েছিল হাতে-কলমে শেখার সেশন এবং বাস্তব অভিজ্ঞতানির্ভর আলোচনার সমন্বয়ে।
অংশগ্রহণকারীরা প্রশিক্ষণ সেশনগুলোর মাধ্যমে শেখেন, কীভাবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে সিভি ও লিংকডইন প্রোফাইলকে আরও আকর্ষণীয় করে তোলা যায়, কর্মদক্ষতা বৃদ্ধি করা যায় এবং সৃজনশীল কাজে এআইকে সঙ্গী বানানো যায়। অনেকেই সামিট চলাকালীন স্মার্টফোনে সরাসরি বিভিন্ন এআই টুল ব্যবহারের অভিজ্ঞতা নিয়েছেন। প্যানেল আলোচনায় অংশ নিয়ে বিজকোপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নাহিদ হাসান, ইফোলির প্রতিষ্ঠাতা জাহাঙ্গীর আলম এবং ইংলিশ থেরাপির প্রতিষ্ঠাতা সাইফুল ইসলাম জানান, বর্তমান প্রতিযোগিতামূলক বাজারে প্রতিষ্ঠানগুলো তরুণদের কাছে ঠিক কী ধরনের দক্ষতা ও মানসিকতা প্রত্যাশা করে। নিয়োগকর্তা হিসেবে তাঁরা তুলে ধরেন, এআইয়ের যুগে একজন তরুণের কাছে প্রতিষ্ঠানগুলো কোনো দক্ষতা ও মানসিকতা আশা করে, আর কীভাবে শুরু থেকেই নিজেকে আলাদা করে তোলা যায়।
এ বিষয়ে আফসানা দিয়া বলেন, আমাদের তরুণদের মেধার কোনো ঘাটতি নেই, ঘাটতি কেবল সঠিক দিকনির্দেশনার। প্রায় সবার হাতেই এখন স্মার্টফোন আর এআই টুল রয়েছে, কিন্তু সেগুলো পেশাগত উন্নতির কাজে লাগানোর পদ্ধতি অনেকেরই অজানা। আমরা চেয়েছি, সামিট শেষে প্রত্যেক অংশগ্রহণকারী যেন অন্তত একটি কাজ এআইয়ের মাধ্যমে আরও কার্যকরভাবে সম্পন্ন করতে পারেন। এছাড়া ৭৫ বছর ধরে কোনো কর্মী ছাঁটাই না করে কোম্পানি পরিচালনার পদ্ধতিও আলোচ্য সূচিতে গুরুত্ব পেয়েছে। ৭৫ বছর ছাঁটাই ছাড়াই চলছে কোম্পানিটি; পরিচালনা পদ্ধতি দেখতে ভিড় সিইওদের।






