বগুড়ার বারপুরে শামীম হোসেন (৩৫) নামে এক যুবককে রাতভর মারধর ও নির্যাতনের পর পায়ের রগ কেটে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার ভোর আনুমানিক সাড়ে ৪টার দিকে এই নৃশংস ঘটনাটি ঘটে। নিহত শামীম হোসেন বগুড়া সদর উপজেলার নামুজা ইউনিয়নের চৌমহনী এলাকার আব্দুল কুদ্দুসের ছেলে। বর্তমানে তার মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।
হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে ও অভিযোগ
নিহতের স্বজনদের অভিযোগ, এই হত্যাকাণ্ডে নিশিন্দারা ইউনিয়ন পরিষদের ৫ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ নেতা এ বি এম শাফি এবং তার ছেলে ছাত্রদল নেতা নাজমুল হোসেন কাইয়ুমসহ কয়েকজন সরাসরি জড়িত। নিহতের শাশুড়ি ছোবেদা বেগম জানান, এক নিকটাত্মীয়ের দাফনের কাজে অংশ নিতে শামীম বারপুর এলাকায় এসেছিলেন। রাতে তিনি সেখানে হাঁটাহাঁটি করার সময় ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য এ বি এম শাফি ও তার ছেলে নাজমুল হোসেন কাইয়ুমসহ কয়েকজন তাকে আটক করেন। এরপর শামীমকে বেধড়ক মারধর করা হয় এবং একপর্যায়ে তার পায়ের রগ কেটে গুরুতর আহত অবস্থায় পরিত্যক্ত জায়গায় ফেলে রাখা হয়। খবর পেয়ে গ্রাম পুলিশ তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
- ঘটনার খবর পেয়ে বগুড়া সদর থানার ওসি ইব্রাহিম আলী ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
- নিহতের স্বজনরা এই ঘটনার সুষ্ঠু বিচার ও জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
- পুলিশের পক্ষ থেকে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।






