আগামী ৫ সেপ্টেম্বর সকাল ৭টায় রাজধানীর শাপলা চত্বরে বিশাল সমাবেশের মধ্য দিয়ে ঢাকা-চট্টগ্রাম অভিমুখে লংমার্চ কর্মসূচি শুরু হবে। ১১ দলীয় ঐক্যের সমন্বয়ক ও জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ জানিয়েছেন, এই লংমার্চে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার লক্ষাধিক মানুষ অংশ নেবেন। রাজধানী থেকে যাত্রা শুরু করে এই বহর নারায়ণগঞ্জের মদনপুর, কুমিল্লার পদুয়া বাজার বিশ্বরোড এবং চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে পথসভা করবে। যাত্রাপথে স্থানীয়রা লংমার্চকে অভ্যর্থনা জানাবেন এবং বিভিন্ন উপজেলা পর্যায় থেকে সাধারণ মানুষ এই কর্মসূচিতে যুক্ত হবেন। পরিশেষে চট্টগ্রামে গিয়ে এই লংমার্চ শেষ হবে।
রাজধানীর মগবাজারে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক প্রস্তুতিমূলক সভায় এসব তথ্য জানানো হয়। ‘গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে’ এই লংমার্চকে জাতীয় সিরিজ কর্মসূচি হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। সভায় লংমার্চ বাস্তবায়নের কৌশল, সাংগঠনিক প্রস্তুতি এবং দায়িত্বশীলদের করণীয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। উল্লেখ্য, গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের পরদিনই ১১ দলের শীর্ষ নেতারা বৈঠকে বসেছিলেন, যেখানে রাজপথ ও সংসদে জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
হামিদুর রহমান আযাদ বর্তমান সরকারের কঠোর সমালোচনা করে বলেন, সরকারের কর্মকাণ্ডে জুলাই আন্দোলনের পদধ্বনি শোনা যাচ্ছে এবং তারা জুলাইয়ের ঘটনাপ্রবাহ মুছে ফেলার চেষ্টা করছে। তিনি আরও বলেন, “বিএনপি এভাবে জাতির সঙ্গে বেঈমানি করছে। আমরা জুলাইকে মুছে দিতে দেব না, থামাতেও দেব না। গণঅভ্যুত্থান জনগণ করেছে, এটি কোনো দলের ইস্যু নয়, এটি জনগণের ইস্যু।”
দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক ও কৃষি পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, কৃষকরা সার পাচ্ছেন না এবং সাতটি সার কারখানার মধ্যে ছয়টিই বন্ধ রয়েছে। এছাড়া বিদ্যুৎ সংকটের কারণে শিল্পকারখানার উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে এবং অনেক কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে। জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা ও বৈষম্যহীন রাষ্ট্র গঠনের লক্ষ্যে ঘোষিত এই কর্মসূচি সফল করতে তিনি দেশবাসীর সহযোগিতা চেয়েছেন।
প্রস্তুতি সভায় জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নেতাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মাওলানা আবদুল হালিম, অ্যাডভোকেট মতিউর রহমান আকন্দ, ড. রেজাউল করিম, ড. হেলাল উদ্দিন, মাওলানা মাহফুজুর রহমান, ডা. ফখরুদ্দিন মানিক এবং মো. কামাল হোসাইন এমপি। এছাড়া কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরার সদস্য পরিকল্পনাবিদ সিরাজুল ইসলাম, এফডিইবির সভাপতি আব্দুস সাত্তার শাহসহ দলের বিভিন্ন বিভাগের দায়িত্বশীল ও ছাত্রপ্রতিনিধিরা সভায় অংশ নেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: সংশ্লিষ্ট উপজেলা পর্যায়েও অভ্যর্থনার পর স্থানীয়রা লংমার্চের বহরে যোগ দেবেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এজন্য আমরা শুরু থেকেই দায়িত্বশীলতার সঙ্গে আন্দোলন করে আসছি।”। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: সরকার জুলাইয়ের ঘটনাকে মুছে দিতে চায় বলেও তিনি অভিযোগ করেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: রেজাউল করিম, ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের নায়েবে আমির ড।






