সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক হিসেবে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত প্রার্থীরা আজ বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর ২০২৬) নিজ নিজ কর্মস্থলে যোগদান শুরু করেছেন। নিয়োগপত্রের শর্তাবলি যথাযথভাবে প্রতিপালন করে তারা এই কার্যক্রমে অংশ নিচ্ছেন। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, আগামী ৪ অক্টোবর তাদের আনুষ্ঠানিকভাবে পদায়ন করা হবে। নতুন শিক্ষকদের যোগদানপত্র এবং অঙ্গীকারনামা পূরণ করতে হচ্ছে। তাদের ১ অক্টোবরের মধ্যে যোগদানের কথা বলা হয়।
শিক্ষক নিয়োগের এই প্রক্রিয়াটি বেশ দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়েছে। ১০ লাখ ৮০ হাজারের বেশি আবেদনকারীর মধ্যে ৬৯ হাজার ২৬৫ জন মৌখিক পরীক্ষার জন্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। চূড়ান্ত পর্যায়ে ১৪ হাজার ৩৮৪ জনকে নিয়োগের সুপারিশ করা হয়। ২০২৬ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত ফলাফলের ভিত্তিতে ৬১ জেলায় এই সুপারিশ প্রদান করা হয়েছিল। পরবর্তীতে যাচাই-বাছাই সম্পন্ন করে গত ২৪ সেপ্টেম্বর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয়গুলো থেকে নিয়োগপ্রাপ্তদের তালিকা প্রকাশ করা হয়। এরপর চূড়ান্ত পরিস্থিতি বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
তবে চূড়ান্ত সুপারিশ পাওয়ার পরও অনেকের নাম তালিকায় না থাকায় কিছু প্রার্থীর মধ্যে অনিশ্চয়তা দেখা দেয়। এ নিয়ে অনেকে আন্দোলন করেছেন এবং কেউ কেউ দেরিতে নিয়োগপত্র পেয়েছেন। আবার অনেকের নিয়োগপত্র এখনো হাতে পৌঁছায়নি। শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন গত ২৮ সেপ্টেম্বর এক সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন, এখনও ৮১৭ জনের তথ্য যাচাই-বাছাই করা বাকি রয়েছে। মূলত ঠিকানার পরিবর্তন বা যোগাযোগ বিচ্ছিন্নতার কারণে এই জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তারা যাচাই-বাছাই শেষে নিয়োগপত্র প্রদানের প্রক্রিয়া ১ অক্টোবর পর্যন্ত চালিয়ে যাবেন বলে জানানো হয়েছে। ৪৯তম বিসিএসে পিএসসির সুপারিশের পরও বঞ্চনা: ৫৭ জনের দায় কে নেবে। আবার অনেকেই গতকাল বুধবার পর্যন্ত নিয়োগপত্র পাননি।
যোগদানপত্রে প্রতিটি প্রার্থীকে তাদের পূর্ণ নাম, পিতার নাম, রোল নম্বর, উপজেলা, জেলা ও মোবাইল নম্বর উল্লেখ করতে হচ্ছে। একই সঙ্গে নিয়োগপত্রের সকল শর্ত মেনে শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ ও নিয়োগপত্র গ্রহণের আবেদনপত্রটি সংশ্লিষ্ট জেলা শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে জমা দিতে হচ্ছে। সহকারী শিক্ষকদের পরবর্তী প্রশাসনিক কার্যক্রমও সংশ্লিষ্ট প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের তত্ত্বাবধানে সম্পন্ন হবে। উল্লেখ্য, এই নিয়োগ কার্যক্রমের পাশাপাশি একই সময়ে দেশে অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ চাকরির নিয়োগ ও বিভিন্ন উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সাফল্যের খবরও গুরুত্ব পাচ্ছে, যার মধ্যে পেট্রোবাংলার ৭৫৩টি পদে নিয়োগের বিষয়টি অন্যতম। বিশ্বের সেরা ১০০০ উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে দেশের ৩ বেসরকারি ও এক পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়। পেট্রোবাংলার অধীনে ৯ ও ১০ গ্রেডে বড় নিয়োগ, পদ ৭৫৩।






