
চলতি মাসের শুরুর দিকে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর নেতৃত্বে ইরানে বিমান হামলার একটি জোরালো পরিকল্পনা করা হয়েছিল। তবে মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগ মুহূর্তে বড় ধরনের কোনো যুদ্ধে জড়াতে রাজি হননি প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বুধবার (২১ অক্টোবর) টাইমস অব ইসরায়েলের প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশ পায়।
সূত্রগুলো জানাচ্ছে, গত ১০ অক্টোবরের সপ্তাহান্তের দিকেই ইরানি পারমাণবিক কেন্দ্র, সরকারি গুরুত্বপূর্ণ দপ্তর, বিদ্যুৎকেন্দ্র এবং বেসামরিক অবকাঠামোতে হামলার জন্য ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) চূড়ান্ত প্রস্তুতি নিয়েছিল। গত ফেব্রুয়ারিতে মার্কিন ও ইসরায়েলি বাহিনীর যৌথ হামলার তুলনায় এবারের আক্রমণের ছক অনেক বেশি ভয়াবহ ও ব্যাপক ছিল বলে জানা গেছে। সূত্রগুলোর মতে, গত ফেব্রুয়ারিতে মার্কিন ও ইসরায়েলি বাহিনীর যৌথ হামলার চেয়েও এবার আরও ভয়াবহ আক্রমণের ছক কষা হয়েছিল।
ইসরায়েলের সেনা প্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল ইয়াল জামির মার্কিন কর্মকর্তাদের সতর্ক করে বলেছিলেন যে, এই হামলার পাল্টা জবাব হিসেবে ইরান বিশাল আকারের ক্ষেপণাস্ত্র বর্ষণ করতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে ইসরায়েলের ২৭ অক্টোবরের সাধারণ নির্বাচন স্থগিত করার ঝুঁকি তৈরি হতে পারত। পরিস্থিতি পর্যালোচনার পর ৯ অক্টোবর ট্রাম্প স্পষ্ট জানিয়ে দেন যে, মার্কিন নির্বাচনের আগে কোনোভাবেই ইরানে সামরিক হামলা চালানো হবে না।
যদিও আইডিএফের এই পরিকল্পনার পেছনে ইরানের ওপর চাপ প্রয়োগের কৌশলগত কারণ থাকতে পারে, তবে সংঘাতের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত মূলত ওয়াশিংটনের ওপরই নির্ভর করছে। এছাড়া, এই সংবাদের ঠিক দুই দিন আগে মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ ইসরায়েল সফর করেন এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও হুমকি নিয়ে নেতানিয়াহুর সঙ্গে গোপন বৈঠক করেছিলেন। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি এই হামলায় অংশ নেবে কি না তা নিয়ে ধোঁয়াশা থাকলেও আগামী সপ্তাহগুলোতে এমন যেকোনো সম্ভাবনা উড়িয়ে দেয়া যাচ্ছে না।
সম্পাদক ও প্রকাশক: পায়েল হোসেন রিন্টু,
মেইল: bdnewspost5@gmail.com
মোবাইল: 01713814445
২৮-সি-৪ শাকের প্লাজা, লেভেল-৫, টয়েনবি সার্কুলার রোড, মতিঝিল, ঢাকা-১০০০