দেশের ভঙ্গুর অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। সোমবার রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, বর্তমান সরকার একটি ভঙ্গুর অর্থনৈতিক পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছে। এই সংকট কাটিয়ে উঠতে সরকার জরুরি পদক্ষেপের পাশাপাশি বিভিন্ন সংস্কার, নীতিমালা প্রণয়ন এবং প্রণোদনা প্রদানের প্রক্রিয়া শুরু করেছে। প্রথমে অর্থনীতিকে স্থিতিশীল করা হবে এবং এরপর ধীরে ধীরে এর গতি ফিরবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের ‘স্কিলস ফর ইন্ডাস্ট্রি কম্পিটিটিভনেস অ্যান্ড ইনোভেশন প্রোগ্রাম’-এর আওতায় এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। শিল্প খাতের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং গবেষণা ও উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করার লক্ষ্যে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ সরকারি উদ্যোগ। কর্মসংস্থান সৃষ্টির উদ্দেশ্যে দেশজুড়ে দক্ষতা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপনের পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করে অর্থমন্ত্রী বলেন, এসব সমন্বিত উদ্যোগের ফলে দেশের অর্থনীতি অচিরেই ইতিবাচক ধারায় ফিরে আসবে।
অনুষ্ঠানে অর্থ বিভাগের সচিব ড. মো. খায়েরুজ্জামান মজুমদার জানান, এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) সহায়তায় বাস্তবায়নাধীন এই উদ্যোগটি শিল্পবান্ধব ও বাস্তবমুখী সমাধান তৈরির মাধ্যমে উৎপাদনশীলতা বাড়ানো এবং দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে। এ সময় এডিবি’র বাংলাদেশ আবাসিক মিশনের কান্ট্রি ডিরেক্টর ছিংফেং ঝাং কর্মসূচির লক্ষ্য অর্জনে সরকারের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি অংশীদারত্বের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন।
কর্মসূচির নির্বাহী পরিচালক ও অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ ওয়ালিদ হোসেন জানান, শিল্প খাতের বিভিন্ন সমস্যার উদ্ভাবনী সমাধানের লক্ষ্যে জমা পড়া ১২৩টি প্রকল্পের মধ্য থেকে ১২টি প্রকল্প চূড়ান্তভাবে বাছাই করা হয়েছে। নির্বাচিত গবেষকরা আগামী এক বছর গবেষণার মাধ্যমে এসব সমস্যার কার্যকর সমাধান বের করবেন। অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে উদ্ভাবনী গবেষণার জন্য নির্বাচিত এই ১২ জন গবেষক ও উদ্যোক্তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে অর্থ ও সম্মাননা প্রদান করা হয়, যা তাদের গবেষণার কাজে ব্যবহৃত হবে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: সোমবার (২৪ আগস্ট) রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে নির্বাচিত গবেষক, উদ্ভাবক ও উদ্যোক্তাদের আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি ও সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন অর্থমন্ত্রী। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: পরে বিভিন্ন খাতে উদ্ভাবনী গবেষণার জন্য নির্বাচিত ১২ জনকে অর্থ ও পুরস্কার দেওয়া হয়। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: বাংলাদেশ প্রবৃদ্ধির নতুন পর্যায়ে প্রবেশ করবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: শিল্পপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে গবেষকদের যুক্ত করার ক্ষেত্রে এটিকে দেশের প্রথম সরকারি উদ্যোগ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।






