মডেল ও অভিনেত্রী মেঘনা আলম তার ব্যক্তিগত জীবন ও কুমারিত্ব নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় এক বিস্ফোরক মন্তব্য করে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছেন। গত রবিবার (২৩ আগস্ট) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক হ্যান্ডেলে তিনি দাবি করেন, “আমি সারাজীবন ভার্জিন ছিলাম।” তার এই পোস্টটি মুহূর্তেই ভাইরাল হয়ে যায় এবং নেটিজেনদের মধ্যে ব্যাপক প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করে। এ পর্যন্ত পোস্টটিতে আট হাজারের বেশি রিঅ্যাক্ট এবং দুই হাজারের অধিক মন্তব্য জমা পড়েছে।
নিজের স্ট্যাটাসে মেঘনা আরও লেখেন, “মদ বা সিগারেটের মতো কোনো অভ্যাস আমার নেই। টাকা-পয়সার বিষয়েও আমি দানশীল এবং নিজের পৈতৃক সম্পদই ব্যবহার করি। হুমকি দিয়ে কোনো লাভ নেই।” মেঘনা মূলত কারো হুমকির জবাবেই এমন কঠোর অবস্থান নিয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। পোস্টের মন্তব্যের ঘরে তিনি সৌদি আরবের সাবেক রাষ্ট্রদূত ঈসাকে জড়িয়ে একটি ভিডিও আপলোডের চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেন এবং নিজের বিরুদ্ধে ছড়ানো সব ভুয়া তথ্য মুছে ফেলার দাবি জানান।
মেঘনা আলমের এমন মন্তব্যের পর মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। অনেক নেটিজেন তার সাহসিকতার প্রশংসা করছেন। শাহজালাল নামে একজন মন্তব্য করেছেন, “আপু, তুমি হচ্ছো মিথ্যার প্রাচীর ভেঙে দেয়া এক অদ্যম ছুঁটে চলা অগ্নিকন্যা!” তবে তার ‘ভার্জিন’ শব্দটি ব্যবহারের কারণে অনেকে তাকে কটাক্ষ করতেও ছাড়েননি। এর আগেও গত বছর একই বিষয়ে তিনি সরব হয়েছিলেন। সে সময় তিনি কোরআনের কসম খেয়ে দাবি করেছিলেন যে, কারো সঙ্গেই তিনি শারীরিক সম্পর্কে জড়াননি এবং তাকে চরিত্রহীন প্রমাণের অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে।
নারীদের প্রতি সমাজের দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে মেঘনা বলেন, “আমাদের সমাজে দাড়ি-টুপি বা বোরখা দেখলেই মানুষ পবিত্রতার প্রতীক মনে করে, কিন্তু খোলামেলা পোশাক পরা নারীকে সহজলভ্য ভাবে। বাহ্যিক চেহারা দিয়ে অন্তর বোঝা সম্ভব নয়।” তিনি আরও দাবি করেন, ক্ষমতাধর কারো সঙ্গে বিয়ের প্রস্তাব ভেঙে দেওয়ার কারণেই তাকে মিথ্যা মামলার মাধ্যমে হয়রানি করা হচ্ছে। তার মতে, ইতিহাসে বারবার নারীদেরই অগ্নিপরীক্ষা দিতে হয়, যেখানে পুরুষরা সবসময় প্রশ্নহীন ও নিরাপদ থেকে যায়।
উল্লেখ্য যে, মেঘনা আলম অভিনয়ের পাশাপাশি পরিবেশ আন্দোলন ও কৃষিভিত্তিক বিভিন্ন ইস্যুতে সেমিনার-সিম্পোজিয়ামে সক্রিয় রয়েছেন। এছাড়া তিনি একজন রাজনৈতিক প্রশিক্ষক হিসেবেও কাজ করছেন। গত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসন থেকে গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন এই আলোচিত ব্যক্তিত্ব। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: মন্তব্য পড়েছে ২ হাজারের অধিক। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: মদ সিগারেট কিছুর অভ্যাস নেই, টাকা-পয়সার বিষয়েও ভয়ংকর দানশীল, যতটুকু পৈতৃক সম্পদ আছে, তাই ব্যবহার করি না। চাকরির আরও তথ্য: মেঘনা আলম লেখেন, “ইলিয়াস যদি এক বাপের সন্তান হস, যদি তোর মায়ের দুধ বেগানা পুরুষ না খেয়ে থাকে, মেঘনা আলমের সাথে চাকরিচ্যুত সৌদি রাষ্ট্রদূত ঈসার ভিডিও আপলোড কর। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: না হলে, বাংলা এডিশন ও তোর সব পেজ থেকে ভুয়া পোস্ট রিমুভ কর। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: অগ্নিমূর্তি ধারণ করা মেঘনার ভূয়সী প্রশংসা করছেন নেটিজেনরা। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ” আসলাম লেখেন, “বর্তমানে আপনি আমার পছন্দের একজন পলিটিক্যাল পার্সন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ” এমন অনেক মন্তব্য ভেসে বেড়াচ্ছে কমেন্ট বক্সে।






