ফরিদপুর কোতোয়ালি থানার ডাঙ্গী গ্রামে মাদক সেবনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এই উত্তেজনাকর পরিস্থিতিতে পুলিশের ওপর হামলার ঘটনাও ঘটেছে। শনিবার দুপুরে ফরিদপুর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাহমুদুল হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। মূলত শুক্রবার বিকেল ৫টার দিকে এই সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়।
ঘটনার নেপথ্যে রয়েছে মাদক সেবনের একটি ভিডিও। স্থানীয় শাকিল ও তার সহযোগীদের ইয়াবা সেবনের ভিডিও ধারণ করেছিলেন টুলু মিয়া নামের এক ব্যক্তি। সেই ভিডিও প্রকাশের ভয় দেখিয়ে টুলু মিয়া অর্থ দাবি করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এর জেরে শাকিল ও তার সহযোগীরা টাকা দেওয়ার কথা বলে টুলু মিয়াকে ডেকে নিয়ে মারধর করে পুলিশের হাতে তুলে দেয়। তখন পুলিশ তার চিকিৎসার ব্যবস্থা করে এবং স্থানীয়ভাবে বিষয়টি মীমাংসা করে দেয়।
পরবর্তীতে শুক্রবার বিকেলে টুলু মিয়া ১৫-২০টি মোটরসাইকেলের বহর নিয়ে ডাঙ্গী এলাকায় গিয়ে মান্নান ফকির ও বক্কার সিকদারকে মারধর করেন। এই ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় উত্তেজিত স্থানীয় জনতা টুলু মিয়াকে না পেয়ে তার বাবা রাজা মিয়া এবং জয়নাল নামের এক ব্যক্তিকে মারধর করে। খবর পেয়ে কোতোয়ালি থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে এবং আহতদের হাসপাতালে পাঠায়।
এ সময় উত্তেজিত জনতা পুলিশের কাজে বাধা দেয় এবং পুলিশের পিকআপ ভ্যানে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করে। পরিস্থিতি আরও জটিল আকার ধারণ করলে ওসি মাহমুদুল হাসানের নেতৃত্বে অতিরিক্ত পুলিশ ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা ঘটনাস্থলে যান। ওসি মাহমুদুল হাসান জানান, স্থানীয় আধিপত্য বিস্তার ও মাদকসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। পুলিশের গাড়িতে হামলা চালিয়ে চাবি ছিনিয়ে নেওয়ার মতো ঘটনাও ঘটেছে এই বিশৃঙ্খলার সময়। বর্তমানে পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এতে ক্ষুব্ধ হয়ে স্থানীয় জনতা টুলু মিয়াকে না পেয়ে তার বাবা রাজা মিয়া এবং জয়নাল নামের এক স্থানীয় বাসিন্দাকে মারধর করে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: উত্তেজিত জনতা পুলিশকে বাধা দেয় এবং গাড়িতে হামলা চালিয়ে গাড়ির চাবি ছিনিয়ে নেয়।






