চলমান ইসরায়েলি সাধারণ নির্বাচনে রেকর্ডের মুখে পড়েছে ভোট গ্রহণের হার। স্থানীয় সময় দুপুর ২টা পর্যন্ত প্রায় ৪৫ শতাংশ ভোট জমা হয়েছে, যা ১৯৭৩ সালের পর দেশটিতে ঘণ্টাভিত্তিক হিসাব শুরুর পর থেকে সর্বোচ্চ। মোট ৭৩ লাখ ভোটারের মধ্যে ইতোমধ্যে ৩০ লাখের বেশি মানুষ নিজেদের নাগরিক অধিকার প্রয়োগ করেছেন। ভোটাধিকার প্রয়োগের উদ্দেশ্যে প্রবাসে থাকা লাখো নাগরিকও দেশে ফিরেছেন, কারণ দেশটিতে ইমেইল বা চিঠির মাধ্যমে ভোট দেওয়ার সুবিধা নেই। ১৯৭৩ সালে ঘণ্টাভিত্তিক ভোটের হার গণনা শুরু হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত ভোট পড়ার হার এটিই সর্বোচ্চ। ইসরায়েলে সাধারণ নির্বাচনে ভোটগ্রহণ চলছে।
নির্বাচনের মধ্যেই রাজনৈতিক সমীকরণ ও বাগযুদ্ধ তীব্র হয়ে উঠেছে।
ভোট দেওয়ার পর এক বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু প্রতিপক্ষ আরব ও বামপন্থি দলগুলোর বিরুদ্ধে তোপ দাগেন।
নগদ অর্থ ভর্তি খামসহ কয়েকজন আটক হওয়ার খবর প্রকাশ্যে আসার পর তিনি দাবি করেন, প্রতিপক্ষরা নির্বাচন ছিনিয়ে নেওয়ার চক্রান্ত করছে। ভোটারদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, এই লড়াই ইহুদি রাষ্ট্রের অবসান চাওয়ীদের হাতে ছেড়ে দেওয়া যায় না। তাই ছুটি কাটানো বাদ দিয়ে সবাইকে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে লিকুদ পার্টিকে ভোট দেওয়ার পরামর্শ দেন তিনি। তাই বারবিকিউ করতে যাবেন না, সমুদ্রসৈকতেও যাবেন না। ভোটকেন্দ্রে যান এবং লিকুদকে ভোট দিন।’।
অন্যদিকে, নেতানিয়াহুর প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ও সাবেক সেনাপ্রধান গাদি আইজেনকোটের নেতৃত্বাধীন ইয়াশার পার্টি এসব অভিযোগের কড়া জবাব দিয়েছে। দলটির দাবি, নির্বাচনে পরাজয়ের আশঙ্কায় আগাম নানান মনগড়া অভিযোগ তুলে ফলকে বিতর্কিত ও প্রশ্নবিদ্ধ করার পাঁয়তারা চালাচ্ছেন নেতানিয়াহু নিজেই।
এবারের নির্বাচনে নেসেট বা পার্লামেন্টের ১২০টি আসনের জন্য লড়াই করছে ৩৮টি রাজনৈতিক দল। সরকার গঠনের জন্য অন্তত ৬১টি আসনে জয়ের প্রয়োজন হলেও কোনো দল একক সংখ্যা গরিষ্ঠতা পাবে না বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকরা। এতে আরব প্রতিনিধিত্বকারী রাআম পার্টির মতো তুলনামূলক ছোট দলগুলোও জোট গঠনে নির্ণায়ক ভূমিকা রাখতে পারে। একই সঙ্গে প্রবাস থেকে আসা ও অভ্যন্তরীণ আরব ভোটারদের সিদ্ধান্ত নেতানিয়াহুর ক্ষমতায় টিকে থাকা অনিশ্চিত করে তুলতে পারে। এবিসি নিউজের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ১২০ আসনের নেসেটে বা পার্লামেন্টে কোনো দলই সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে পারবে বলে মনে হয় না। সরকার ধীরে ধীরে আওয়ামী লীগের মতো স্বৈরাচারী হয়ে উঠছে: নাহিদ ইসলাম।
ভোট গ্রহণ চলাকালে দেশের বিভিন্ন কেন্দ্র থেকে অনিয়মের অভিযোগ তুলেছিল রাজনৈতিক দলগুলো। তবে এসব দাবি ও অনলাইনে ছড়ানো তথ্য প্রত্যাখ্যান করেছে দেশের কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিটি। সংস্থাটি স্পষ্ট করে জানিয়েছে, পরিকল্পিতভাবে ব্যালট পেপারে কোনো কারচুপির প্রমাণ বা ইঙ্গিত এখন পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। অভিষেক-সূর্যবংশীর ব্যাটে ওলটপালট রেকর্ড বই।
সম্পর্কিত সংবাদ ও অন্যান্য ঘটনাপ্রবাহ
- মেট্রোরেলের ১০০ কোটি ডলারের বড় চুক্তি অর্জন করেছে ভারতের এলঅ্যান্ডটি।
- আওয়ামী লীগকে রাজনৈতিক দল নয়, বরং ফ্যাসিবাদের ক্লাব বলে মন্তব্য করেছেন শফিকুর রহমান।
- জাতিসংঘের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, বাংলাদেশিদের চাকরির ভুয়া আশ্বাস দিয়ে জোর করে যুদ্ধে পাঠাচ্ছে রাশিয়া।
- মানিক পশারীর জানাজা ও দাফনে বাধার অভিযোগ অনুসন্ধানে তদন্ত কমিটি গঠন করেছে জামায়াত।






