সৌদি আরবের পূর্বাঞ্চলে রাষ্ট্রায়ত্ত তেল কোম্পানি আরামকোর একটি প্রশাসনিক ভবনে হুতি বিদ্রোহীরা হামলা চালিয়েছে, যার ফলে সেখানে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। তবে এই ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি বলে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় নিশ্চিত করেছে সৌদি কর্তৃপক্ষ। টঙ্গীতে ওষুধ কারখানার আগুন নেভাতে ২০ ইউনিট, পানি সংকটের কথা জানাল ফায়ার সার্ভিস। টঙ্গীতে ওষুধ কারখানায় আগুন, নিয়ন্ত্রণে ১৯ ইউনিট। আজ বুধবার সৌদি সরকারের বরাত দিয়ে বার্তাসংস্থা এএফপি এ তথ্য জানানো হয়।
একই সময়ে রাজধানী রিয়াদে দুটি ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করা হয়েছে। সৌদি প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে এগুলোকে ধ্বংস করার পর তার ধ্বংসাবশেষ মাটিতে পড়লে চারজন সাধারণ নাগরিক আহত হন। আহতদের মধ্যে দুই নারী, এক পুরুষ ও এক শিশু রয়েছেন। এছাড়া এই ঘটনায় প্রায় ১৫টি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে সরকারি সূত্রে জানা গেছে। ২০২৭ সালে বড় পর্দায় মুক্তির তালিকায় যেসব সিনেমা।
এর আগে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট ইয়েমেনের সানা, ধামার ও সা’দা প্রদেশে অবস্থিত বিভিন্ন তেল স্থাপনায় পাল্টা হামলা চালায়। জোটের দাবি, হুতিরা এসব স্থাপনা ব্যবহার করে সৌদি আরব এবং গুরুত্বপূর্ণ নৌপথের জন্য বড় ধরনের নিরাপত্তা হুমকি তৈরি করছিল। এর আগে শনিবার রিয়াদের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হুতি হামলায় ১৮ জন নিহত হওয়ার পর সেখানকার কার্যক্রম সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়। ফ্লাইট ধরার আশায় বিমানবন্দরে ঘুরছেন সৌদিগামী কর্মীরা। এরপর বিমানবন্দরের কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়।
এদিকে হুতিরা পাল্টা হুঁশিয়ারি দিয়ে জানিয়েছে, সৌদি জোট ইয়েমেনে হামলা অব্যাহত রাখলে রিয়াদের বিমানবন্দর, তেল শোধনাগার এবং দাম্মামে আরামকোর স্থাপনাগুলো তাদের হামলার লক্ষ্যবস্তু হবে। এই পরিস্থিতিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হুতিদের বিরুদ্ধে সৌদি হামলায় সরাসরি যোগ দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনার কথা জানিয়েছেন। জবাবে হুতিরা হুমকি দিয়েছে যে, যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি হস্তক্ষেপ করলে মধ্যপ্রাচ্যে থাকা মার্কিন স্বার্থ সংশ্লিষ্ট স্থাপনাগুলোতে হামলা চালানো হবে।
সৌদি আরবের বিমানবন্দর ও জ্বালানি স্থাপনায় চলমান সাম্প্রতিক এসব হামলার পর সৌদি জোট সানার বাসিন্দাদের এলাকা ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছে। এছাড়া, এই সংঘাতের নেতিবাচক প্রভাব সৌদি অর্থনীতির ওপর পড়ছে বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)। সংস্থাটির পূর্বাভাস অনুযায়ী, চলতি বছর সৌদি আরবের জিডিপি ৩ দশমিক ৩ শতাংশ হ্রাস পাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। অন্যদিকে, যুদ্ধের ফলে সৃষ্ট মানবিক বিপর্যয়ের অংশ হিসেবে ইয়েমেনে কলেরা পরিস্থিতির অবনতি ঘটেছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্যমতে, দেশটিতে গত তিন সপ্তাহে সন্দেহভাজন কলেরার রোগীর সংখ্যা তিন গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে।





