বিশ্বের অন্যান্য দেশের সঙ্গে তাল মিলিয়ে বাংলাদেশেও যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হচ্ছে ‘বিশ্ব ডাক দিবস-২০২৬’। স্মার্ট ডাকসেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্য নিয়ে আয়োজিত এই দিবসের মূল প্রতিপাদ্য হলো, ‘সমন্বিত ডাক নেটওয়ার্ক, সীমাহীন সম্ভাবনা’। দিবসটি উপলক্ষে রাজধানী ঢাকার আগারগাঁওয়ে ডাক ভবনে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব বিলকিস জাহান রিমি। অনুষ্ঠানটিতে সভাপতিত্ব করেন ডাক অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কাজী আসাদুল ইসলাম।
ডাক অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, দিবসটি উদযাপন উপলক্ষে আজ থেকে ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত দেশজুড়ে পালন করা হচ্ছে ‘ডাকসেবা সপ্তাহ’। এই কর্মসূচির আওতায় কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে চিঠি উৎসবসহ দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে চিঠি উৎসব, ফিলাটেলিক প্রদর্শনী এবং ডাকসেবা বিষয়ক মেলার আয়োজন করা হয়েছে। আধুনিক প্রযুক্তি ও বিস্তৃত নেটওয়ার্ক ব্যবহারের মাধ্যমে জনগণের দোরগোড়ায় দ্রুত ও সাশ্রয়ী সেবা পৌঁছে দেওয়া এই কর্মসূচির প্রধান লক্ষ্য। বিশ্ব ডাক দিবসের কর্মসূচির অংশ হিসেবে আজ ও আগামীকাল সঞ্চয় ব্যাংক কার্যক্রম বাদে ডাক বিভাগের সব পর্যায়ের কার্যালয়ে সাধারণ ডাকসেবা চালু থাকবে।
বর্তমানে বাংলাদেশ ডাক বিভাগ নিজেদের ঐতিহ্য ধরে রেখে আধুনিক ও জনবান্ধব লজিস্টিকস সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলার কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে। দৈনন্দিন জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন, ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার এবং আর্থসামাজিক উন্নয়নে ডাক বিভাগের গুরুত্ব সম্পর্কে জনসচেতনতা তৈরির উদ্দেশ্যেই প্রতি বছর এই দিবসটি পালন করা হয়।
উল্লেখ্য, ১৮৭৪ সালের ৯ অক্টোবর ইউনিভার্সাল পোস্টাল ইউনিয়ন (ইউপিইউ) প্রতিষ্ঠার ঐতিহাসিক দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখতে ১৯৬৯ সালে টোকিওতে অনুষ্ঠিত ইউপিইউ কংগ্রেসে বিশ্ব ডাক দিবস পালনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছিল। সেই থেকে প্রতি বছর দিবসটি পালন করে আসছে ডাক খাত সংশ্লিষ্ট দেশগুলো।




