নিউ ইয়র্কের ফ্লাশিং মেডোসে গভীর রাতে আর্থার অ্যাশ স্টেডিয়ামে টেনিস ইতিহাসের দুই জীবন্ত কিংবদন্তি সেরেনা ও ভেনাস উইলিয়ামসকে আবারও একসঙ্গে কোর্টে দেখার রোমাঞ্চ নিয়ে হাজির হয়েছিলেন দর্শকরা। তবে দীর্ঘ ৩ ঘণ্টা ২ মিনিটের এই লড়াই শেষ পর্যন্ত এক নাটকীয় ট্র্যাজেডিতে রূপ নেয়। ইউএস ওপেনের নারী দ্বৈতের প্রথম রাউন্ডে মায়া জয়েন্ট এবং চ্যান হাউ-চিংয়ের কাছে ৬-৩, ৬-৭(৬), ৭-৬(৭) সেটে হেরে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিতে হয়েছে উইলিয়ামস বোনদের।
ম্যাচের শুরু থেকেই হাড্ডাহাড্ডি লড়াই দেখা যায়। ১৪তম বাছাই মায়া জয়েন্ট ও চ্যান প্রথম সেট নিজেদের করে নিলেও, দুর্দান্তভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে দ্বিতীয় সেট টাইব্রেকারে জিতে সমতা ফেরান সেরেনা ও ভেনাস। তৃতীয় সেটে লড়াই গড়ায় সুপার টাইব্রেকারে। ১০ পয়েন্টের এই টাইব্রেকারে এক পর্যায়ে ৫-০ পয়েন্টে এগিয়ে গিয়ে জয়ের পথে ছিলেন সেরেনা-ভেনাস। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেই লিড ধরে রাখতে পারেননি তারা; টানা ভুল ও সার্ভিসের দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে ১০-৭ পয়েন্টে ম্যাচ জিতে নেন জয়েন্ট ও চ্যান জুটি।
ম্যাচ শেষে আবেগাপ্লুত ২০ বছর বয়সী মায়া জয়েন্ট বলেন, টেনিসের এই কিংবদন্তিদের বিপক্ষে কোর্টে নামাটাই বিশাল সৌভাগ্যের। মিশিগানে বেড়ে ওঠার সময় তারা ছিলেন আমার আদর্শ, তাদের মুখোমুখি হওয়াটা এক অসাধারণ অভিজ্ঞতা। ২০২২ সালের ইউএস ওপেনের পর এই প্রথম কোনো গ্র্যান্ড স্লামে একসঙ্গে জুটি বেঁধেছিলেন সেরেনা ও ভেনাস। ৪৪ বছর বয়সী সেরেনা ও ৪৬ বছর বয়সী ভেনাসের এই প্রত্যাবর্তন বিশ্বজুড়ে টেনিসপ্রেমীদের মাঝে নস্টালজিয়া তৈরি করেছিল।
তবে এই হারের পর নিজেদের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে কোনো মন্তব্য করেননি উইলিয়ামস বোনেরা। ম্যাচ শেষে তারা সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলতে অস্বীকৃতি জানান। এর আগে উইম্বলডনেও তরুণী মায়া জয়েন্টের বিপক্ষে সেরেনাকে কোর্টে ফিরতে দেখা গিয়েছিল। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এরপর তৃতীয় ও শেষ সেটেও জমে ওঠে লড়াই। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: যদিও এই হারের পর তাদের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে তাৎক্ষণিকভাবে মুখ খোলেননি উইলিয়ামস বোনেরা।






