
সৌদি আরবের ভূখণ্ড ও সীমান্ত সুরক্ষার লক্ষ্যে মিসরকে সামরিক সহায়তা পাঠানোর আইনি অনুমোদন দিয়েছে দেশটির পার্লামেন্ট। প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসির আহ্বানে সাড়া দিয়ে সোমবার পার্লামেন্টে এই ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। এএফপি জানায়, দীর্ঘ প্রস্তুতির পর এই অনুমোদন পাওয়া গেল। জুতো পালিশ থেকে ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট, যেভাবে লুলার উত্থান। ‘ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির বক্তব্য সংবিধান ও আইনের শাসনের পরিপন্থী’। মার্কিন নিষেধাজ্ঞা এড়িয়ে যেভাবে ইরানের জেট ফুয়েল পাচ্ছে মিয়ানমার। রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম আল-আহরামের প্রতিবেদনের বরাতে বলা হয়, পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ ‘সৌদি আরবকে সহায়তা দিতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার জন্য প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসিকে অনুমোদন দিয়েছে’। দেশটির সামরিক বাহিনীতে কয়েক লাখ সক্রিয় সদস্য রয়েছেন।
এর আগে গত ১৭ অক্টোবর শনিবার প্রেসিডেন্ট সিসি পার্লামেন্টের কাছে সৌদি আরবের অনুরোধ সাপেক্ষে সামরিক সহায়তার প্রস্তাব উত্থাপন করেছিলেন। সে সময় তিনি স্পষ্ট করে বলেছিলেন, সৌদি বাদশাহ সালমান ও যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের নির্দেশনা পেলে দেশটির নিরাপত্তা নিশ্চিতে মিসর ভূমিকা রাখবে। প্লাস্টিক বর্জ্যও যে চিড়িয়াখানার প্রবেশ টিকিট।
পার্লামেন্টে সিসির সমর্থক সংখ্যাগরিষ্ঠ দলগুলো থাকলেও এই প্রস্তাব পাস হওয়া সহজ ছিল না। সাধারণত বিরল ঘটনা হিসেবে পার্লামেন্টে এই বিষয়টি নিয়ে তিন দফা রুদ্ধদ্বার বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এমনকি চূড়ান্ত ভোটাভুটিও দুই দফা পিছিয়ে দেওয়া হয়েছিল, যা প্রস্তাবের সংবেদনশীলতাকেই ফুটিয়ে তোলে। অবৈধ স্থাপনা / মেরিন ড্রাইভে গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো চারতলা রিসোর্ট।
প্রেসিডেন্ট সিসি বরাবরই বলছেন, এই সহায়তার মূল লক্ষ্য কেবল সৌদি ভূখণ্ড রক্ষা করা, ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে কোনো সরাসরি আক্রমণ পরিচালনা করা নয়। তিনি তার ভাষণে বারবার ‘সৌদি সীমান্ত রক্ষার’ ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন এবং কূটনৈতিক সমাধানকেই সবচেয়ে অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা উল্লেখ করেছেন। এ ক্ষেত্রে আক্রমণ নয়, শুধু প্রতিরক্ষার বিষয়টি বিবেচনায় রয়েছে’, যোগ করেন তিনি।
মিসরের সামরিক বাহিনী আরব বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী এবং বৃহত্তম। তাদের হাতে যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, চীন ও ফ্রান্সের তৈরি আধুনিক যুদ্ধবিমানসহ উন্নত আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা রয়েছে। তবে এই অনুমোদনের পর ঠিক কী ধরনের প্রতিরক্ষামূলক সহায়তা কায়রো রিয়াদকে দেবে, তা নিয়ে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।
আঞ্চলিক অস্থিরতা নিরসনে মিসর সরকার উচ্চপর্যায়ের কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু করেছে। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী বদর আবদেলাত্তি ‘আর-ফোর’ জোটের সদস্য দেশগুলোর সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ বজায় রাখছেন। তিনি জানান, উত্তেজনা প্রশমনে তিনি প্রতিদিন ইরানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা করছেন।
এরই মধ্যে তেহরানে মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তির সদস্য দেশগুলোর একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।
ওই আলোচনায় আঞ্চলিক সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং ইরানবিরোধী বিভিন্ন আগ্রাসী পদক্ষেপের সম্ভাব্য পরিণতি নিয়ে বিস্তারিত পর্যালোচনা করা হয়েছে।
মিসর এখন তার সামরিক সক্ষমতাকে সতর্কতার সঙ্গে ব্যবহারের মাধ্যমে সৌদি আরবের পাশে থাকার বার্তা দিচ্ছে।
সম্পাদক ও প্রকাশক: পায়েল হোসেন রিন্টু,
মেইল: bdnewspost5@gmail.com
মোবাইল: 01713814445
২৮-সি-৪ শাকের প্লাজা, লেভেল-৫, টয়েনবি সার্কুলার রোড, মতিঝিল, ঢাকা-১০০০