সাম্প্রতিক গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাবলি
- স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে ২ সচিব নিয়োগ ও দুই বিভাগের একীভূতকরণ নিয়ে নতুন প্রশ্ন।
- দীর্ঘ প্রায় ৫ মাস পর দেশে ফিরলেন মির্জা আব্বাস।
- স্থায়ী কমিটির সভাপতির পদ না পাওয়ায় সংসদ অধিবেশন বর্জন করলেন জামায়াত এমপিরা।
- গোড্ডা বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ কেন কম, তার ব্যাখ্যা দিয়েছে আদানি গ্রুপ।
- ফুলবাড়ীতে উন্মুক্ত কয়লা উত্তোলনের আগে স্থানীয়দের পুনর্বাসনের নিশ্চয়তা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।
নেপাল ও তিব্বত সীমান্তে ভয়াবহ বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১ হাজার ২২৫ জনে পৌঁছেছে। এর মধ্যে নেপালে ১ হাজার ২০৪ জন এবং তিব্বতে ২১ জনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। দুর্যোগের এক সপ্তাহ পর বুধবার দেশটির দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের বরাতে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। এখনো নিখোঁজ রয়েছেন ৪ হাজার ৭৫৭ জন মানুষ।
এই বিপর্যয়ের পর নেপাল সরকার প্রচলিত মানবিক সহায়তার পরিবর্তে চীন, যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতের কাছে জলবায়ু ক্ষতিপূরণ দাবি করছে। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী শিশির খানাল কাঠমান্ডু পোস্টকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে জানান, বৈশ্বিক গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণে নেপালের অবদান নগণ্য হলেও জলবায়ু পরিবর্তনের ভয়াবহ প্রভাব তাদের সবচেয়ে বেশি ভোগ করতে হচ্ছে। তাই এটি কেবল দয়া বা দানের বিষয় নয়, বরং ন্যায়বিচার ও ক্ষতিপূরণের দাবি।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, নেপাল এখন আর কেবল দাতব্য সাহায্যের ওপর নির্ভর করতে চায় না। জলবায়ু সংকটের কারণে হিমালয়ের হিমবাহ গলে যাওয়া এবং পাহাড়ি এলাকায় আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসের মতো বিপর্যয় বাড়ছে। এই বাস্তবতায় নেপাল তাদের কূটনৈতিক অবস্থানে পরিবর্তন আনছে এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে এখন জলবায়ু ন্যায়বিচার ও ক্ষতিপূরণকেই অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।
এদিকে, দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় মাটির নিচে চাপা পড়া জলবিদ্যুৎ প্রকল্পগুলোর সুড়ঙ্গে উদ্ধার অভিযান চলছে। ত্রিশূলী ৩এ, চিলিম ও আপার ত্রিশূলী জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রের সুড়ঙ্গে আটকা পড়াদের উদ্ধারে বিভিন্ন দেশের বিশেষায়িত দল কাজ করছে। ভারতের বিশেষায়িত টানেল উদ্ধারকারী দল চিলিম ও লাংতাং এলাকায়, চীনের দল ত্রিশূলী ৩এ প্রকল্প এলাকায় এবং দক্ষিণ কোরিয়ার একটি দল আপার ত্রিশূলী প্রকল্পে উদ্ধার তৎপরতায় যুক্ত হয়েছে।
প্রতিকূল আবহাওয়া ও ভূমিধসের কারণে উদ্ধারকাজ অত্যন্ত জটিল হয়ে পড়লেও শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত তা চালিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন কর্মকর্তারা। একইসঙ্গে ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যক্রমও চলমান রয়েছে। সরকারের তথ্য অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে ইতোমধ্যে ৫ বিলিয়নের বেশি রুপি জমা হয়েছে, যা ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা ও দীর্ঘমেয়াদি পুনর্বাসনে ব্যয় করা হবে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: নেপাল-তিব্বতের বন্যায় মৃত বেড়ে ১২২৫, নিখোঁজ ৪৭৫৭। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: বন্যা-ভূমিধস / নেপাল-তিব্বতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১০৬৬, নিখোঁজ সাড়ে ৪ হাজার। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সৃষ্ট ক্ষয়ক্ষতির জন্য ক্ষতিপূরণ পাওয়া দেশটির আইনি ও নৈতিক অধিকার। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: নেপালের বন্যা কোনো ‘সাধারণ ঘটনা’ নয়: বালেন শাহ।






