দুর্যোগের বর্তমান পরিস্থিতি
- মোট ক্ষতিগ্রস্ত: ৯৩ হাজারেরও বেশি মানুষ
- নেপাল ও তিব্বতে মোট মৃত্যু: ৫৫২ জন
- নেপালে মৃতের সংখ্যা: ৪৮৯ জন
নেপাল ও তিব্বত সীমান্তে ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসে ৯৩ হাজারের বেশি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা রেড ক্রস। শুক্রবার রয়টার্সের প্রতিবেদনে জানানো হয়, এই দুর্যোগে নেপাল ও তিব্বত মিলিয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫৫২ জনে। এর মধ্যে শুধু নেপালেই বন্যায় প্রাণ হারিয়েছেন ৪৮৯ জন। এছাড়া নেপালের বন্যার কারণে সাতটি মরদেহ ভেসে ভারতের সীমান্তে পৌঁছেছে।
জেনেভায় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ইন্টারন্যাশনাল ফেডারেশন অব রেড ক্রস অ্যান্ড রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটিজের (আইএফআরসি) প্রতিনিধি দলের প্রধান ডেভিড ফিশার জানান, ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য ব্যাপক মানবিক সহায়তা প্রয়োজন। তিনি আরও একটি বন্যার আশঙ্কায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
জাতিসংঘের দুর্যোগ বিষয়ক সংস্থা ইউএনডিআরআরের প্রধান কমল কিশোর সতর্ক করে বলেছেন, দুর্যোগের এই ধারা এখনো পুরোপুরি শেষ হয়নি। কোনো কোনো ক্ষেত্রে পরিস্থিতি এখনো চলমান রয়েছে। এদিকে তিব্বতের বাঁধে ভাঙনের কারণে নেপাল সীমান্তে আবারও নতুন করে বন্যা ও ভূমিধসের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) মুখপাত্র তারিক জাসারভিচ জানিয়েছেন, ভূমিধসে সংস্থাটির ছয়টি স্বাস্থ্যকেন্দ্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং আটজন স্বাস্থ্যকর্মী নিখোঁজ রয়েছেন। তিনি আরও বলেন, বড় ধরনের এই দুর্যোগের পর বাস্তুচ্যুতি, অতিরিক্ত ভিড় এবং পানি ও পয়নিষ্কাশন ব্যবস্থা ব্যাহত হওয়ায় ডায়রিয়া ও শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণের মতো সংক্রামক রোগের ঝুঁকি বাড়ছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: বিবিসির বিশ্লেষণ / তারেক রহমানকে দিল্লিতে নিতে কেন আগ্রহী ভারত। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: হামের উপসর্গে দেশে আরও ৫ জনের মৃত্যু, মোট ৯৬০। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: নেপাল-তিব্বত সীমান্তে বন্যা: মৃত-নিখোঁজদের কতজন কোন দেশের। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: নেপালের বন্যায় ৭ মরদেহ ভেসে এলো ভারতে।






