
ভারতের রাজধানী দিল্লির কনট প্লেসের সেন্ট্রাল পার্কে নির্ধারিত ‘লেহরা দো তিরঙ্গা’ শিরোনামের পতাকা উত্তোলন কর্মসূচির মাত্র কিছু সময় আগে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে এবং অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের (আইসা) সভাপতি নেহা বোরাকে আটক করেছে দিল্লি পুলিশ। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য হিন্দুর বরাতে শুক্রবার এ আটকের কথা জানা যায়। ক্ষমতার রাজনীতি ও আমলাতান্ত্রিক দুষ্টচক্রে জিম্মি রাষ্ট্রসংস্কার: টিআইবি। মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার খুললেও কাটছে না পুরোনো শঙ্কা। ‘তেলাপোকা’ ঠেকাতে দিল্লি হলো ‘লালকিল্লা’, ভারত হলো ‘কাশ্মীর’।
অভিজিৎ দীপকেকে ঝান্ডেওয়ালানের নিজ বাসভবন থেকে আটক করা হয়। অন্যদিকে মধ্য দিল্লির মান্ডি হাউস এলাকা থেকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয় নেহা বোরাকে। আটকের ঘটনাকে কেন্দ্র করে পুলিশের সঙ্গে কিছুটা ধস্তাধস্তি ঘটে এবং ঘটনাস্থলে অনেক সংবাদকর্মী ও বিপুলসংখ্যক নিরাপত্তাকর্মী উপস্থিত থাকায় বিশৃঙ্খলা দেখা দেয়। ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় ৪ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ১১৮১। শেবাগের ছেলের তাণ্ডব, ১৯ চার ও ৮ ছক্কায় ১৭৩।
ঘোষিত সূচি অনুযায়ী শুক্রবার বিকেল ৫টায় ‘লেহরা দো তিরঙ্গা’ পদযাত্রাটি হওয়ার কথা ছিল। তবে কর্মসূচি শুরু হওয়ার কয়েক ঘণ্টা আগেই দিল্লি পুলিশ অভিজিৎ দীপকেকে কনট প্লেসে সমাবেশ না করার নোটিশ প্রদান করে। পাশাপাশি সার্বিক পরিস্থিতিতে কনট প্লেস ও তার আশপাশের এলাকায় সভা-সমাবেশে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
একইভাবে নয়াদিল্লি পৌর পরিষদ শুক্রবার ও শনিবার দুদিনের জন্য সেন্ট্রাল পার্ক সাধারণ মানুষের প্রবেশের জন্য বন্ধ ঘোষণা করেছে। চলতি সপ্তাহে দিল্লির অন্যতম প্রতিবাদ কেন্দ্র জন্তর মন্তরেও সকল প্রকার জনসমাবেশের ওপর পুলিশের বিধিনিষেধ কার্যকর করা হয়েছে।
এর আগে গত বুধবার ককরোচ জনতা পার্টির নেতা অভিজিৎ দীপকে নতুন এই সমাবেশের ডাক দিয়েছিলেন। মূলত জাতীয় পতাকা ওড়ানোর অভিযোগে দলটির দুই নেতা আশুতোষ রাঙ্কা ও সৌরভ দাসকে পাঁচদিনের বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠানোর প্রতিবাদেই তিনি এই কর্মসূচির সিদ্ধান্ত নেন।
দলটির শীর্ষ নেতাকে আটকের তীব্র নিন্দা জানিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সিজেপি প্রতিক্রিয়া দিয়েছে। পোস্টটিতে লেখা হয়, ‘দিল্লি পুলিশ অভিজিৎকে আটক করেছে! তরুণদের হাতে জাতীয় পতাকা দেখেই এই সরকার এতটা শঙ্কিত হয়ে পড়েছে!’
ভারতে ভোটার তালিকা পুনর্নিরীক্ষণ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রায় ১৩ কোটি ভোটারের নাম বাদ পড়ার গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন বিরোধী দলগুলো এবং সিজেপি। তাদের দাবি, এ ধরনের সংশোধনী ক্ষমতাসীন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দলকে রাজনৈতিক সুবিধা এনে দিচ্ছে। এই ইস্যুতে তারা দেশের প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে আসছে, যদিও ভারতের নির্বাচন কমিশন সকল ধরনের অনিয়মের অভিযোগ শুরু থেকেই অস্বীকার করে আসছে।
সম্পাদক ও প্রকাশক: পায়েল হোসেন রিন্টু,
মেইল: bdnewspost5@gmail.com
মোবাইল: 01713814445
২৮-সি-৪ শাকের প্লাজা, লেভেল-৫, টয়েনবি সার্কুলার রোড, মতিঝিল, ঢাকা-১০০০