সিরিয়ার সার্বভৌমত্ব ও আঞ্চলিক অখণ্ডতা লঙ্ঘনের অভিযোগ এনে দেশটির ভূখণ্ডে ইসরায়েলি বাহিনীর অব্যাহত অনুপ্রবেশ এবং বিতর্কিত সামরিক অবকাঠামো ‘সোফা ৫৩’ নির্মাণের কাজ পুনরায় শুরুর তীব্র নিন্দা জানিয়েছে কাতার ও জর্ডান। গত রোববার আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে মধ্যপ্রাচ্যের এই দুই দেশের আনুষ্ঠানিক উদ্বেগের বিষয়টি উঠে আসে। রোববার (৪ অক্টোবর) আন্তর্জাতিক সংবাদসংস্থাগুলোর প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে মধ্যপ্রাচ্যের এ দুই দেশের আনুষ্ঠানিক উদ্বেগের বিষয়টি জানা গেছে।
কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, কুনেইত্রা অঞ্চলের গ্রামীণ এলাকায় ইসরায়েলের এই ধরনের সামরিক তৎপরতা সিরিয়ার সার্বভৌমত্বের ওপর সরাসরি আঘাত। কাতারের মতে, এই কর্মকাণ্ড আন্তর্জাতিক আইনের স্পষ্ট লঙ্ঘন এবং তা আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তার জন্য বড় ধরণের হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।
এদিকে জর্ডানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও ইসরায়েলের এই পদক্ষেপের কঠোর সমালোচনা করেছে। দেশটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ‘সোফা ৫৩’ ঘিরে চালানো ইসরায়েলের এই সামরিক অভিযান আন্তর্জাতিক নিয়মনীতির চরম পরিপন্থী এবং সিরিয়ার অভ্যন্তরীণ ভূখণ্ডের ওপর সরাসরি হস্তক্ষেপ।
উল্লেখ্য যে, ‘সোফা ৫৩’ প্রকল্পটিকে স্থানীয়ভাবে ‘দ্য গ্রেট স্টর্ম’ বা মহাসুউচ্চ ঝড় হিসেবে অভিহিত করা হয়। এটি মূলত একটি সামরিক সড়ক, মাটির উঁচু বাঁধ ও পরিখা বেষ্টিত একটি নিরাপত্তা বলয়। ১৯৭৪ সালের যুদ্ধবিরতি ও সামরিক প্রত্যাহার চুক্তির আওতায় থাকা বাফার জোনের অভ্যন্তরে ২০২২ সাল থেকে ইসরায়েল কুনেইত্রার সিরীয় অংশে এই অবকাঠামো নির্মাণের কাজ চালিয়ে আসছে। সম্প্রতি ওই এলাকায় নতুন করে নির্মাণকাজ শুরু হওয়ার পর থেকেই আরব দেশগুলো এর বিরুদ্ধে জোরালো প্রতিক্রিয়া দেখাচ্ছে।






