জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল উপজেলার মামুদপুর ইউনিয়নের চৌমুনী বাজার এলাকার ধনতলা গ্রামের বাসিন্দা রাশেদুল ইসলাম দুই ঘণ্টার প্যারোলে মুক্তি পেয়ে সৎমায়ের জানাজা ও দাফন সম্পন্ন করেছেন। তিনি জয়পুরহাট জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করতেন। ২০২৪ সালের ছাত্র আন্দোলনকে কেন্দ্র করে দায়ের করা একটি নাশকতার মামলায় গ্রেপ্তার হওয়ার পর গত ২২ আগস্ট থেকে তিনি কারাগারে বন্দি রয়েছেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, গতকাল ভোরে অসুস্থতাজনিত কারণে রাশেদুলের সৎমা রহিমা বিবি মারা যান। মায়ের শেষ বিদায় ও জানাজায় অংশ নেওয়ার জন্য পরিবারের পক্ষ থেকে প্যারোলের আবেদন করা হলে কর্তৃপক্ষ তা মঞ্জুর করে। নির্ধারিত সময়ের জন্য মুক্তি পাওয়ার পর পুলিশি পাহারায় তিনি নিজ বাড়িতে পৌঁছান। এ সময় তাঁর হাতে হাতকড়া পরানো ছিল এবং এই অবস্থায় তিনি মায়ের মরদেহের পাশে সময় কাটান ও জানাজায় অংশ নেন।
দাফন কার্যক্রম শেষে পুলিশ তাঁকে পুনরায় কারাগারে নিয়ে যায়। হাতকড়া পরা অবস্থায় জানাজায় অংশ নেওয়ার ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
জয়পুরহাট কারাগারের জেলার তোফায়েল আহাম্মেদ খাঁন জানান, মঙ্গলবার বেলা সোয়া দুইটায় রাশেদুল ইসলামকে প্যারোলে মুক্তি দেওয়া হয় এবং বিকেল সোয়া চারটায় প্যারোলের সময় শেষ হলে তাঁকে কারাগারে ফিরিয়ে নেওয়া হয়। জানাজায় হাতকড়া পরা থাকার বিষয়ে তিনি বলেন, বিষয়টি পুলিশের এখতিয়ারভুক্ত এবং এ ব্যাপারে তিনি অবগত নন।






