মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা জোটের প্রথম বৈঠক: সচিবালয় ও মহাসচিব নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত

প্রকাশ:
Print news

সাম্প্রতিক গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাবলি

  • বোয়িং বাংলাদেশকে হতাশ করবে না: ট্রাম্প
  • ডেঙ্গু: টানা চতুর্থ দিন ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ভর্তির রেকর্ড, মোট মৃত্যু ১০০ ছাড়াল
  • দেশের প্রথম সীমান্ত নজরদারি ও ড্রোন যুদ্ধ প্রশিক্ষণকেন্দ্র সিলেটে
  • বিপিএলে দুর্নীতির অভিযোগ: বিসিবির সাবেক পরিচালকসহ তিনজন নিষিদ্ধ
  • ঢাকার বিষয়ে দিল্লির বর্তমান ‘দৃষ্টিভঙ্গি’ ও যুক্তরাষ্ট্র থেকে বোয়িং কেনা নিয়ে যা বললেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

সৌদি আরবের পবিত্র শহর মক্কায় গত ৭ আগস্ট স্বাক্ষরিত একটি প্রতিরক্ষা চুক্তির মাধ্যমে নতুন এক আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও সহযোগিতা বলয় গড়ে তোলার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। তুরস্ক, পাকিস্তান ও সৌদি আরবের এই ত্রিপক্ষীয় চুক্তির আওতায় গতকাল সোমবার তুরস্কের ইস্তান্বুলে জোটটির প্রথম আনুষ্ঠানিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে জোটের আনুষ্ঠানিক নাম দেওয়া হয়েছে ‘মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা জোট’ (Makkah Joint Defense Alliance)।

বৈঠক শেষে তিন দেশ এক যৌথ বিবৃতিতে জানায়, সৌদি আরবে জোটটির সচিবালয় স্থাপনে সদস্যদেশগুলো সম্মত হয়েছে। এছাড়া, জোটের প্রথম মহাসচিব হিসেবে পাকিস্তান থেকে একজনকে নিয়োগ দেওয়া হবে, যিনি তিন বছরের জন্য দায়িত্ব পালন করবেন। তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান জানিয়েছেন, এই জোট আন্তর্জাতিক নীতি মেনে অন্য রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব ও ভৌগোলিক অখণ্ডতাকে সম্মান করবে এবং অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করবে না। তিনি আরও উল্লেখ করেন, এই জোটে যেকোনো দেশের যোগ দেওয়ার সুযোগ রয়েছে।

চুক্তির মূল লক্ষ্য হলো যেকোনো আগ্রাসনের বিরুদ্ধে যৌথ প্রতিরোধ সক্ষমতা জোরদার করা। এতে বলা হয়েছে, তিন দেশের যেকোনো একটির ওপর সশস্ত্র হামলাকে তিন দেশের ওপরই হামলা হিসেবে বিবেচনা করা হবে। তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান আশা প্রকাশ করেন যে, এই জোট মধ্যপ্রাচ্যে স্থিতিশীলতা আনবে এবং অনিশ্চয়তা কমাতে ভূমিকা রাখবে। নিরাপত্তা, স্থিতিশীলতা ও দীর্ঘস্থায়ী শান্তি নিশ্চিত করতে আঞ্চলিক দেশগুলোর একসঙ্গে কাজ করা জরুরি বলে তিনি মন্তব্য করেন।

বৈঠকে পাকিস্তানের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্বে ছিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার, সেনাপ্রধান আসিম মুনির ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ। তুরস্কের পক্ষে অংশ নেন হাকান ফিদান, প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়াসার গুলের ও চিফ অব জেনারেল স্টাফ সেলজুক বায়রাকতারুগলু। সৌদি আরবের প্রতিনিধিদলে ছিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফয়সাল বিন ফারহান আল সৌদ, প্রতিরক্ষামন্ত্রী খালিদ বিন সালমান ও চিফ অব জেনারেল স্টাফ ফাইয়াদ আল রুওয়াইলি।

বৈঠকের আলোচ্যসূচিতে সামরিক বাহিনীর মধ্যে সমন্বয়, যৌথ সামরিক মহড়া, প্রতিরক্ষা শিল্পে সহযোগিতা এবং সন্ত্রাসবিরোধী কার্যক্রমে সমন্বয়ের বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে। তবে জোটটির প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো এবং পারস্পরিক প্রতিরক্ষার ধারা ঠিক কোন পরিস্থিতিতে কার্যকর হবে, তা এখনো স্পষ্ট নয়। কাতার বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক সিনেম চেঙ্গিস জানিয়েছেন, চুক্তিটি তুরস্কের পার্লামেন্টে অনুমোদনের জন্য পাঠানোর আগে এসব বিষয় স্পষ্ট হওয়া প্রয়োজন।

ইবনে খালদুন বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞ গোকহান এরেলি মনে করেন, এই তিন দেশের মধ্যে দীর্ঘদিনের ঘনিষ্ঠ নিরাপত্তা সম্পর্ক রয়েছে। তবে তিনি সতর্ক করে বলেন, প্রকৃত পরীক্ষা হবে বর্তমান উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির পর এই যৌথ নিরাপত্তা ব্যবস্থা টিকে থাকতে পারে কি না। এদিকে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে এই জোটের কার্যকারিতা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে নানা প্রশ্ন উঠেছে। যদিও পাকিস্তান ইঙ্গিত দিয়েছিল যে মিসর এই জোটে যোগ দিতে পারে, তবে সোমবারের বৈঠকে কেবল চুক্তিতে স্বাক্ষরকারী তিন দেশই অংশ নিয়েছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: গত ৭ আগস্ট ৩ মুসলিমপ্রধান দেশের এই চুক্তি আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে ব্যাপক আলোচনা জন্ম দেয়। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: মক্কা চুক্তিতে যোগ দিতে আগ্রহী আরও ৬-৭ মুসলিম দেশ: পাকিস্তান। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: মক্কা চুক্তিতে অংশগ্রহণ বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির ভারসাম্যকে ঝুঁকিতে ফেলতে পারে: রয়টার্স। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তিনি আরও বলেন, জোটটি ‘আন্তর্জাতিক নীতির ভিত্তিতে গঠিত। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে ইরানে হামলা চালানোর পর এক মাসের বিরতি ভেঙে ওয়াশিংটন ও তেহরান হামলা-পাল্টা হামলা চালানোর কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: গত ৭ আগস্ট পবিত্র নগরী মক্কায় পাকিস্তান, সৌদি আরব ও তুরস্কের সই করা প্রতিরক্ষা চুক্তির অধীনে গঠিত কৌশলগত রাজনৈতিক ও প্রতিরক্ষা কমিটি এখন জোটের ঘোষণা বাস্তবায়নের কাজ শুরু করেছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: বৈঠকের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত ছিল সচিবালয় গঠন।

শেয়ার করুন
শিরোনাম :
বায়োপিক প্রসঙ্গে যা বললেন সালমান খান শারদীয় দুর্গাপূজায় পূর্ণ নিরাপত্তা নিশ্চিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি জামায়াত সুন্দরবনে বাঘ-মানুষের সংঘাত রোধে ৭৪ কিমি নাইলনের বেড়া জেরুজালেমে দূতাবাস: কলম্বিয়ার সিদ্ধান্তের কড়া নিন্দা কাতারের চরই ঠিকানা: ভাঙন-গড়ার লড়াইয়ে স্বপ্ন বুনছেন হাজারো মানুষ ঘরোয়া ফুটবলে আজ মাঠে নামছে মোহামেডান ও বসুন্ধরা কিংস দুই মাস পর বড়পুকুরিয়া কয়লাখনিতে উৎপাদন শুরু নরসিংদীতে ট্রেনের ধাক্কায় মা ও শিশুকন্যার মর্মান্তিক মৃত্যু সংসদ ভবন প্রাঙ্গণ সংস্কার ও পরিচ্ছন্নতার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর যুক্তরাষ্ট্রে স্কুলে বন্দুকধারীর হামলায় হতাহতের ঘটনায় তদন্ত শুরু মধ্যপ্রাচ্যের সংকট নিরসনে দোহায় কাতার ও জার্মানির শীর্ষ বৈঠক এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের নতুন পে-স্কেলে বাড়তি ব্যয় ১৩ হাজার কোটি যুক্তরাষ্ট্রের স্কুলে বন্দুক হামলা আজ ফাইনালে শিরোপার লড়াইয়ে বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কা দিল্লি পুলিশ আমাকে তুলে নিতে পারে: অভিজিৎ দীপকে ৯–১৫ অক্টোবরের সেরা ১০ সরকারি চাকরির খবর নারীর অনলাইন নিরাপত্তা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা জরুরি আজ ষষ্ঠী: শুরু হলো হিন্দু সম্প্রদায়ের শারদীয় দুর্গোৎসব ইয়েমেনের এডেনে সৌদি জোটের কমান্ড সেন্টারে হুতিদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা কাতারের আমিরের উপহার দেওয়া বিমান নিয়ে ট্রাম্পের দাবি বায়োপিক প্রসঙ্গে যা বললেন সালমান খান শারদীয় দুর্গাপূজায় পূর্ণ নিরাপত্তা নিশ্চিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি জামায়াত সুন্দরবনে বাঘ-মানুষের সংঘাত রোধে ৭৪ কিমি নাইলনের বেড়া জেরুজালেমে দূতাবাস: কলম্বিয়ার সিদ্ধান্তের কড়া নিন্দা কাতারের চরই ঠিকানা: ভাঙন-গড়ার লড়াইয়ে স্বপ্ন বুনছেন হাজারো মানুষ ঘরোয়া ফুটবলে আজ মাঠে নামছে মোহামেডান ও বসুন্ধরা কিংস দুই মাস পর বড়পুকুরিয়া কয়লাখনিতে উৎপাদন শুরু নরসিংদীতে ট্রেনের ধাক্কায় মা ও শিশুকন্যার মর্মান্তিক মৃত্যু সংসদ ভবন প্রাঙ্গণ সংস্কার ও পরিচ্ছন্নতার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর যুক্তরাষ্ট্রে স্কুলে বন্দুকধারীর হামলায় হতাহতের ঘটনায় তদন্ত শুরু মধ্যপ্রাচ্যের সংকট নিরসনে দোহায় কাতার ও জার্মানির শীর্ষ বৈঠক এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের নতুন পে-স্কেলে বাড়তি ব্যয় ১৩ হাজার কোটি যুক্তরাষ্ট্রের স্কুলে বন্দুক হামলা আজ ফাইনালে শিরোপার লড়াইয়ে বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কা দিল্লি পুলিশ আমাকে তুলে নিতে পারে: অভিজিৎ দীপকে ৯–১৫ অক্টোবরের সেরা ১০ সরকারি চাকরির খবর নারীর অনলাইন নিরাপত্তা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা জরুরি আজ ষষ্ঠী: শুরু হলো হিন্দু সম্প্রদায়ের শারদীয় দুর্গোৎসব ইয়েমেনের এডেনে সৌদি জোটের কমান্ড সেন্টারে হুতিদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা কাতারের আমিরের উপহার দেওয়া বিমান নিয়ে ট্রাম্পের দাবি