নেপাল ও তিব্বত সীমান্তবর্তী অঞ্চলে বুধবার আঘাত হানা ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসে প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে ৩৩২ জনে পৌঁছেছে। নেপাল পুলিশের মুখপাত্র আবি নারায়ণ কাফলে এই সংশোধিত পরিসংখ্যান নিশ্চিত করেছেন। বৃহস্পতিবার বিকেলে আটটি জেলায় নতুন করে বেশ কয়েকজনের মরদেহ উদ্ধারের পর এই তথ্য জানানো হয়।
সর্বশেষ পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, সবচেয়ে বেশি প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে চিতওয়ান জেলায়, যেখানে ১২১ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া নওয়ালপরাসি (পূর্ব) জেলায় ৭৪ জন, ধাদিঙয়ে ২৯ জন, গোর্খায় ২৯ জন, নুয়াকোটে ২৮ জন, তানাহুনে ১৯ জন, রাসুয়ায় ১৭ জন এবং নওয়ালপরাসি (পশ্চিম) জেলায় ১৫ জনের মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়েছে।
এদিকে, বার্তাসংস্থা রয়টার্সের তথ্যমতে, এই প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে এখনো অন্তত দেড় হাজার মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন। নিখোঁজদের মধ্যে অন্তত ৭০০ জন বিদেশি পর্যটক রয়েছেন, যারা তিব্বত সীমান্তবর্তী নেপাল অংশে অবস্থান করছিলেন।
বন্যার পানি রাসুয়া ও অন্যান্য জেলার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ার সময় ত্রিশূলী ও নারায়ণী নদী অববাহিকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। পানির তোড়ে অনেক বসতবাড়ি, রাস্তাঘাট ও সেতু বিধ্বস্ত হয়েছে।
নিখোঁজদের সন্ধানে পুলিশ ও বিভিন্ন নিরাপত্তা বাহিনী উদ্ধার অভিযান জোরদার করেছে। দুর্গম ও বিচ্ছিন্ন এলাকাগুলোতে হেলিকপ্টারের মাধ্যমে খাবার, তাঁবু ও জরুরি ত্রাণসামগ্রী পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।
বন্যাপ্রবণ এলাকাগুলো থেকে স্থানীয় বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেওয়ার কাজ অব্যাহত রয়েছে। উদ্ধারকারীরা এখনো নিখোঁজদের উদ্ধারে সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: নেপালে বন্যায় মৃত বেড়ে ৩৩২, এখনো নিখোঁজ অন্তত ১৫০০। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: মক্কা চুক্তি মুসলিম সমাজের আত্মরক্ষার ব্যবস্থা, আমন্ত্রণ পেলে ইতিবাচকভাবে দেখা হবে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: নেপালের বন্যার পানি কতদূর নেমে আসতে পারে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: সঙ্গীর প্রাক্তন নিয়ে কৌতূহল, কোথায় সীমা টানবেন।






