ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেত্রী সাদিকা পারভীন পপি শোকের ছায়ায় ডুবেছেন। তার মা মরিয়ম বেগম মঙ্গলবার দিবাগত রাত দেড়টায় রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তিনি বার্ধক্যজনিত নানা শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) দিবাগত রাত দেড়টায় রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন পপির মা মরিয়ম বেগম (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
পরিচালক বদিউল আলম খোকন জানিয়েছেন, মরিয়ম বেগমের প্রথম জানাজা ঢাকায় সম্পন্ন হয়েছে। এরপর তার মরদেহ গ্রামের বাড়ি খুলনায় নেওয়া হচ্ছে। সেখানে দ্বিতীয় জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে।
দীর্ঘদিন ধরে কিডনি ও বার্ধক্যজনিত অসুস্থতায় ভুগছিলেন পপির মা। গুলশানের নিকেতনে নিজ বাসায় হঠাৎ স্ট্রোক করলে গত ১৪ অক্টোবর রাত পৌনে দুইটায় তাকে মগবাজারের ইনসাফ বারাকাহ কিডনি অ্যান্ড জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। মঙ্গলবার রাতে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসকরা তাকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। এমন অবস্থায় রাতেই তিনি মৃত্যুবরণ করেন। হঠাৎ গুলশান নিকেতনের বাসায় স্ট্রোক করেন।
পপির মা প্রসঙ্গে চিত্রনায়ক ওমর সানী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে স্মৃতিচারণ করে বলেন, অভিনেত্রী মৌসুমী ও পপি চাচাতো বোন হওয়ায় মরিয়ম বেগম তারও শাশুড়ি ছিলেন। ১৯৯৭ সাল থেকে তিনি তাকে ‘আম্মা’ বলে সম্বোধন করতেন। এমন অভিভাবক হারানোর শোকে বিনোদন অঙ্গনে বিষাদ নেমে এসেছে। এদিকে, দীর্ঘদিন ধরে লোকচক্ষুর অন্তরালে থাকায় মায়ের মৃত্যুর খবর নিয়েও পপিকে কোনো মন্তব্য করতে দেখা যায়নি। ১৯৯৭ থেকে তাকে আমি সবসময় আম্মা বলে ডাকতাম, উনি চলে গেলেন পৃথিবীর মায়া ছেড়ে। এ নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় দেওয়া এক পোস্টে ওমর সানী বলেন, “মৌসুমী আর পপি ফার্স্ট কাজিন, সেই সূত্র ধরে পপির মা-ও আমার শাশুড়ি। ক্রমাগত মুরুব্বিদেরকে হারাচ্ছি, তারপর আমার যাওয়ার পালা। ”।






