ভারতীয় বাংলা সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেত্রী শ্রাবন্তী চ্যাটার্জি তার ব্যক্তিগত জীবনের নানা প্রতিকূলতা ও মানসিক সংগ্রামের কথা প্রকাশ্যে এনেছেন। বিশেষ করে তিনবার বিবাহবিচ্ছেদের ঘটনা তাকে যে অকল্পনীয় মানসিক চাপের মুখে ঠেলে দিয়েছিল, তা নিয়ে সম্প্রতি ‘স্ট্রেট আপ উইথ শ্রী’ পডকাস্টে খোলামেলা আলোচনা করেছেন তিনি। শ্রাবন্তী জানান, এক পর্যায়ে পরিস্থিতির চাপে পড়ে তার মনে হয়েছিল জীবন শেষ করে দেওয়ার কথা। তবে পরবর্তীতে নিজের ভুল পছন্দের কথা ভেবে তিনি সেই নেতিবাচক চিন্তা থেকে সরে আসেন।
অভিনেত্রীর ব্যক্তিগত জীবনের এই দীর্ঘ যাত্রার শুরু ২০০৩ সালে, যখন তিনি খুব কম বয়সে পরিচালক রাজীব বিশ্বাসকে বিয়ে করেন। দীর্ঘ সময় সংসার করার পর ২০১৬ সালে তাদের আনুষ্ঠানিকভাবে বিচ্ছেদ ঘটে। এই দম্পতির একমাত্র পুত্রসন্তান অভিমন্যু, যাকে শ্রাবন্তী আদর করে ‘ঝিনুক’ বলে ডাকেন, মায়ের কাছেই বেড়ে উঠেছে। রাজীবের সঙ্গে বিচ্ছেদের পর ২০১৬ সালের জুলাই মাসে কলকাতার একটি পাঁচতারা হোটেলে কৃষাণ ভিরাজের সঙ্গে রেজিস্ট্রি বিয়ে করেন শ্রাবন্তী। তবে সেই সংসারও বেশিদিন টেকেনি; ২০১৭ সালের আগস্টের দিকে তাদের সম্পর্কে ফাটল ধরে এবং বছরের শেষ দিকে অভিনেত্রী বিচ্ছেদের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
এরপর ২০১৯ সালের ১৯ এপ্রিল শ্রাবন্তী অনেকটা গোপনে প্রেমিক রোশান সিংয়ের সঙ্গে বিয়ের পিঁড়িতে বসেন। ভারতের চণ্ডীগড়ে পাঞ্জাবি রীতিতে সম্পন্ন হওয়া এই বিয়ের খবরটি দীর্ঘ সময় লোকচক্ষুর আড়ালে ছিল। বিয়ের এক বছর পার হতে না হতেই এই সম্পর্কেও ভাঙনের সুর বেজে ওঠে, যা শেষ পর্যন্ত আদালত পর্যন্ত গড়ায়। বারবার ব্যক্তিগত জীবনে এমন আঘাত ও বিচ্ছেদের অভিজ্ঞতায় মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছিলেন এই অভিনেত্রী। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে বরাবরই চর্চায় থেকেছেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: কিন্তু সেই ভালোবাসা বারবার আঘাতে রূপ নেয়; যা তাকে মানসিকভাবে ভেঙে দিয়েছিল। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: পরিস্থিতি এমন হয়েছিল যে, আত্মহত্যা করার কথাও ভেবেছিলেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ২০০৩ সালে শ্রাবন্তী চ্যাটার্জির বয়স খুবই কম ছিল।






