
ইউক্রেনের শহরগুলোতে নিয়মিত হামলা চালাতে ব্যবহৃত কামিকাজে ড্রোনের উৎপাদন উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধির পরিকল্পনা করছে রাশিয়া। রুশ রাষ্ট্রীয় পারমাণবিক সংস্থা রোসাটমের অভ্যন্তরীণ পরিকল্পনা নথির ভিত্তিতে সংবাদমাধ্যম পলিটিকো এমন তথ্য প্রকাশ করেছে। ইউক্রেনের গোয়েন্দা ও নিরাপত্তা সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোও এই প্রকল্পের অস্তিত্ব এবং রাশিয়ার ক্রমবর্ধমান সক্ষমতা নিয়ে সতর্কবার্তা দিয়েছে।
পলিটিকোর প্রতিবেদন অনুসারে, মে মাসে রাশিয়ার সরকার নতুন উৎপাদন লাইন স্থাপনের এই পরিকল্পনা অনুমোদন করে। ইউক্রেনীয় নিরাপত্তা ও সহযোগিতা কেন্দ্রের সংগৃহীত স্যাটেলাইট চিত্রগুলোতে দেখা গেছে, মে থেকে জুলাই মাসের মধ্যে বর্তমান কারখানার পাশে জমি পরিষ্কার করে নতুন অবকাঠামো নির্মাণের প্রস্তুতি চলছে। ওয়াশিংটনভিত্তিক ইনস্টিটিউট ফর সায়েন্স অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল সিকিউরিটির প্রধান ডেভিড অলব্রাইটের মতে, নতুন কারখানার ভিত্তি তৈরির কাজ ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে। ২০২৭ সালের মধ্যে পূর্ণ সক্ষমতা অর্জন করতে হলে নির্মাণকাজ অত্যন্ত দ্রুতগতিতে সম্পন্ন করতে হবে।
নতুন এই সক্ষমতা রাশিয়ার আকাশযুদ্ধের কৌশলকে আরও শক্তিশালী করবে বলে ধারণা করছেন প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকরা। সেন্টার ফর অ্যা নিউ আমেরিকান সিকিউরিটির গবেষক স্টেসি পেটিজন জানান, রাশিয়ার এই ড্রোন উৎপাদন সক্ষমতা ইউক্রেনের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ওপর প্রচণ্ড চাপ সৃষ্টি করছে। ড্রোনগুলোতে এখন জেট ইঞ্জিন যুক্ত করায় সেগুলো আগের চেয়ে দ্রুত এবং দূরপাল্লার লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম।
রোসাটমের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, তাদের প্রতিষ্ঠান ও সহযোগী সংস্থাগুলো প্রচলিত আইন ও বিধিমালা মেনেই কাজ পরিচালনা করে। তবে ড্রোন উৎপাদন নিয়ে উত্থাপিত নির্দিষ্ট নথিপত্র বা নকশার বিষয়ে তারা কোনো মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানায়। এদিকে ইউক্রেনীয় নিরাপত্তা কর্মকর্তা ও বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আলবুগা বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে তৈরি হওয়া এই ড্রোনগুলো কেবল ইউক্রেনের জন্যই নয়, বরং ভবিষ্যতের জন্য বড় ধরনের নিরাপত্তা হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। ইউরোপীয় দেশগুলোর প্রতিক্রিয়া যাচাই এবং নিজের ‘হাইব্রিড আগ্রাসন’ অব্যাহত রাখতে রাশিয়া এই সক্ষমতাকে বড় অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: মুন অ্যালার্ট: নিখোঁজ শিশুর খবর জানাবেন যেভাবে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ‘এটা যেন সিনেমার গল্প,’ জিদানকে নিয়ে এমবাপে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ড্রোনের কাঠামো তৈরিতে এই হালকা ও শক্ত উপাদান গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এক বিশেষজ্ঞের হিসাবে, এই বাড়তি উৎপাদন সক্ষমতা বছরে আরও ২৮ হাজার অস্ত্রবাহী ড্রোন তৈরির সুযোগ করে দিতে পারে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: পলিটিকো জানায়, চলতি মাসে পোল্যান্ড সীমান্তের কাছে একটি যাত্রীবাহী ট্রেনে হামলাসহ ইউক্রেনে বেসামরিক নাগরিকদের ওপর হামলায় ব্যবহৃত অনেক ড্রোনও একই ধরনের। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এসব ড্রোন এখন ইউক্রেনের পাশাপাশি ইউরোপের অন্য দেশগুলোর জন্যও উদ্বেগের কারণ।
সম্পাদক ও প্রকাশক: পায়েল হোসেন রিন্টু,
মেইল: bdnewspost5@gmail.com
মোবাইল: 01713814445
২৮-সি-৪ শাকের প্লাজা, লেভেল-৫, টয়েনবি সার্কুলার রোড, মতিঝিল, ঢাকা-১০০০