ইসরায়েলের সাধারণ নির্বাচনে তিন-চতুর্থাংশেরও বেশি ভোট গণনা সম্পন্ন হয়েছে। সর্বশেষ আংশিক ফলাফলে দেখা যাচ্ছে, প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও তার মিত্ররা বিরোধী শিবিরের চেয়ে এগিয়ে রয়েছেন। তবে সংখ্যাগরিষ্ঠ সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় আসন সংখ্যা থেকে তারা এখনো কিছুটা পিছিয়ে আছে। বুধবার বার্তাসংস্থা এএফপি ও ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম হারেৎজ এই তথ্য জানিয়েছে। প্রতিশ্রুতির পরও থামছে না ‘মব’ সহিংসতায় মৃত্যু। ৭৭ শতাংশ ভোট গণনা শেষে দেখা গেছে, ১২০ আসনের পার্লামেন্টে নেতানিয়াহুর জোট ৫৪টি আসন পেতে যাচ্ছেন। ভোট গণনা শেষ হলে এই ফল বদলেও যেতে পারে। নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে এসব দলের ভোটাররা বিপুল সংখ্যায় ভোট দিয়েছেন। বুথফেরত জরিপে ইসরায়েলি আরব দলগুলো ১৮ থেকে ১৯টি আসন পেতে পারে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। ইসরায়েলের নির্বাচন: পশ্চিমতীরে ফিলিস্তিনিদের জীবনে পরিবর্তন আসবে।
দীর্ঘ সময় ধরে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করা নেতানিয়াহুর রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নির্ধারণে এবার কয়েক দশকের মধ্যে সর্বোচ্চ সংখ্যক ভোটার অংশগ্রহণ করেছেন।
বিশ্লেষকদের মতে, নেতানিয়াহুর কট্টর ডানপন্থী নীতি এবং ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের হামলার পর একের পর এক যুদ্ধ ঘোষণার বিষয়টি নির্বাচনের প্রধান আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু ছিল। ভোটগ্রহণের পর নেতানিয়াহু ও তার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী গাদি আইজেনকোট—উভয়েই সরকার গঠনের দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন। নেতানিয়াহু ও আইজেনকোট: লৌহ মুষ্টির এপিঠ-ওপিঠ।
নির্বাচনী ফলাফল ও সমীকরণ
- নেতানিয়াহুর জোট: ৫৪টি আসন (৭৭ শতাংশ ভোট গণনা শেষে)।
- গাদি আইজেনকোটের বিরোধী জোট: ৪৯টি আসন।
- আরব দলসমূহ: ১৭টি আসন (কোনো জোটের সঙ্গে যুক্ত নয়)।
- ভোটার উপস্থিতি: প্রায় ৭৮ শতাংশ (১৯৯৯ সালের পর সর্বোচ্চ)।
- মোট ভোটদান: ৫৬ লাখ ৯০ হাজার নিবন্ধিত ভোটারের মধ্যে।
তবে বুথফেরত জরিপের তথ্য অনুযায়ী, নেতানিয়াহুর কট্টর ডানপন্থী শিবির ও নবাগত রাজনীতিবীদ আইজেনকোটের বিরোধী জোটের মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হচ্ছে।
উভয় পক্ষই প্রায় ৫১টি করে আসন পেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে, যেখানে সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য প্রয়োজন ৬১টি আসন।
এক্ষেত্রে ইসরায়েলি আরব দলগুলো বড় ধরনের অগ্রগতি দেখিয়েছে, যারা মূলত নেতানিয়াহুর নীতির বিরোধী।
ইসরায়েলের মোট জনসংখ্যার ২১ শতাংশ ফিলিস্তিনি বংশোদ্ভূত এই আরব জনগোষ্ঠী এবার রেকর্ড সংখ্যক ভোট দিয়েছেন। মোট প্রায় ৭৩ লাখ নিবন্ধিত ভোটারের মধ্যে ভোট দিয়েছেন ৫৬ লাখ ৯০ হাজার। ইসরায়েলি আরবরা ইসরায়েলের ফিলিস্তিনি নাগরিক হিসেবেও পরিচিত।
নির্বাচনী প্রচারণার সময় নেতানিয়াহু বারবার আরব দলগুলোর বিষয়ে ভোটারদের সতর্ক করে বলেছিলেন, ইহুদি জাতীয়তাবাদী পথই দেশের জন্য মঙ্গলজনক এবং আরব জনগোষ্ঠী এই অর্জনকে দুর্বল করতে পারে। এদিকে, সাবেক আইডিএফ প্রধান আইজেনকোট নির্বাচনের আগে আরব দলগুলোর সঙ্গে জোট গঠনে অনীহা দেখালেও, বর্তমান সমীকরণে তাদের সমর্থন ছাড়া সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়া কঠিন হবে। তিনি দাবি করেন, তিনি দেশকে ইহুদি জাতীয়তাবাদী পথে পরিচালিত করে এসেছেন, যা সবার জন্য মঙ্গলজনক হয়েছে। ৩৪ রানে ৪ উইকেট হারানোর পর বৃষ্টির বাধা। ‘টাইব্রেকারে গেলে বিশ্বকাপ আমরাই জিততাম’, দিবুকে নিয়ে এনজোর দাবি।
নির্বাচনে কোনো পক্ষ একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে না পারলে সরকার গঠনের আলোচনা দীর্ঘায়িত হতে পারে। প্রয়োজনে নতুন করে নির্বাচনের সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। আগামী বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা অথবা শুক্রবার সকালের মধ্যে চূড়ান্ত ফলাফল পাওয়ার আশা করা হচ্ছে। এর বাইরে দেশের অভ্যন্তরে মব সহিংসতা, এলডিসি থেকে বাংলাদেশের উত্তরণ, ক্রীড়াঙ্গনের সাম্প্রতিক খবর এবং অন্যান্য সামাজিক ও অপরাধ সংক্রান্ত ঘটনাবলীও দেশের মানুষের নজর কেড়েছে।
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
- নাঈমের ঘূর্ণিতে লিড পেল বাংলাদেশ।
- মাহফুজ আনামের কলাম / কেবলমাত্র নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারই অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে পারে।
- তাহসিফের মৃত্যু: তুরাগের কাছে একটি মোটরসাইকেল উদ্ধার, যাচাই-বাছাই করছে পিবিআই।






