ইউএস ওপেনের দ্বিতীয় রাউন্ডে বেশ বেগ পেতে হয়েছে শীর্ষ বাছাই আলেকজান্ডার জভেরেভকে। নিউ ইয়র্কের আর্থার অ্যাশ স্টেডিয়ামে ফরাসি প্রতিপক্ষ কুয়েন্টিন হ্যালিসের বিপক্ষে জয় পেতে তাকে লড়তে হয়েছে দীর্ঘ চার ঘণ্টা ৩৩ মিনিট। শেষ পর্যন্ত ৬-৪, ৪-৬, ৭-৬ (৭/৩), ৬-৭ (৩/৭), ৬-৩ সেটে জয় নিশ্চিত করেন এই জার্মান তারকা। স্থানীয় সময় রাত সোয়া ২টায় ম্যাচটি শেষ হয়। প্রথম রাউন্ডেও পাঁচ সেটের লড়াই করতে হয়েছিল তাকে। টানা দুই ম্যাচে এমন কঠিন জয়ের পর জভেরেভ নিজের পারফরম্যান্স নিয়ে বলেন, সত্যি বলতে আমার খেলা বেশ বাজে ছিল, তবে জয় পাওয়াটাই এখন আসল। তিনি আরও জানান, শারীরিকভাবে তিনি সুস্থ আছেন এবং কষ্ট করে জেতার এই দক্ষতা তিনি এখন আয়ত্ত করে ফেলেছেন। আশা করছেন ভবিষ্যতে আরও ভালো টেনিস উপহার দিতে পারবেন।
এদিকে টুর্নামেন্টে বড় অঘটন ঘটেছে পুরুষ এককে। শারীরিক অসুস্থতার কারণে কানাডিয়ান তারকা ফেলিক্স অগার-আলিয়াসিমে রাশিয়ার কারেন খাচানভের কাছে ৬-৭ (৫/৭), ৬-৩, ৬-২, ৬-২ সেটে হেরে বিদায় নিয়েছেন। ম্যাচ শেষে খাচানভ জানান, প্রতিপক্ষের শারীরিক সমস্যার বিষয়টি তিনি বুঝতে পেরেছিলেন। এছাড়া সপ্তম বাছাই অ্যালেক্স ডি মিনাউর এবং লোরেনজো মুসেত্তির মতো তারকারাও টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে গেছেন।
নারী এককের লড়াইয়ে তৃতীয় রাউন্ড নিশ্চিত করেছেন কোকো গফ, ইগা শিয়নটেক এবং নাওমি ওসাকা। বর্তমান চ্যাম্পিয়ন কোকো গফ পাউলা বাডোসাকে হারিয়ে নিজের আত্মবিশ্বাস ফিরে পাওয়ার কথা জানিয়েছেন। অন্যদিকে, দীর্ঘ ২০ বছরের বর্ণাঢ্য টেনিস ক্যারিয়ারের ইতি টেনে গ্র্যান্ড স্লামকে বিদায় জানালেন ৪০ বছর বয়সী ফরাসি তারকা গায়েল মনফিস। দর্শকদের আবেগঘন বিদায় জানিয়ে তিনি বলেন, এই দীর্ঘ যাত্রাটি ছিল অসাধারণ। প্যারিসের দর্শকদের পরেই তিনি নিউ ইয়র্কের দর্শকদের স্থান দিয়েছেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তবে আমি জিতেছি-এটিই সবচেয়ে বড় কথা।’ নিজের শারীরিক পরিস্থিতি নিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘শারীরিকভাবে আমি ঠিক আছি। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: আমি মনে করি, শারীরিকভাবে বেশ শক্তিশালী হওয়াটা আমার জন্য গর্বের বিষয়। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: যখন আপনি দারুণ টেনিস খেলতে পারছেন না, তখন কষ্ট করে জেতাটাও একটা বিশেষ দক্ষতা। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: অবশ্যই প্যারিসের সমকক্ষ কেউ হতে পারে না, তবে আপনারা ঠিক তার পরেই আছেন!’।






