প্রথম দুই ম্যাচ জিতে সিরিজ জয়ের উজ্জ্বল সম্ভাবনা তৈরি করেছিল বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল। তবে ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে না পারায় চার ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজটি ২-২ ব্যবধানে ড্র হয়েছে। গত ম্যাচে আল আমিরাত গ্রাউন্ডে সিরিজ জয়ের লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নেমেছিল বাংলাদেশ, কিন্তু শেষ পর্যন্ত ৪ উইকেটে হেরে মাঠ ছাড়তে হয় যুবাদের। আগে ব্যাটিং করতে নেমে বাংলাদেশ ৫০ ওভারে ৯ উইকেটে ২১৯ রান সংগ্রহ করে। দলের হয়ে অধিনায়ক ফরিদ হাসান দুর্দান্ত ৮২ রানের একটি ইনিংস খেলেন। আফগানিস্তানের পক্ষে সোহেল খান ও আমির হামজা প্রত্যেকে তিনটি করে উইকেট শিকার করেন। অধিনায়ক ফরিদ হাসানের ৮২ রানের ইনিংসের পরও আফগানিস্তানের কাছে ৪ উইকেটে হেরেছে তারা। কিন্তু সেই সুযোগ কাজে লাগাতে পারেনি বাংলাদেশ।
জবাবে ২২০ রানের জয়ের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই চাপে পড়েছিল আফগানিস্তান। ১০.৫ ওভারে মাত্র ৩৫ রানে তারা ২ উইকেট হারায়। আব্দুল্লাহ নাদারজানকে ৮ রানে ফেরান আল আমিন হোসেন এবং ফরিদুল্লাহ ইহসাসকে ১৬ রানে বোল্ড করেন ফারহান সাদিক। এরপর সুবাহ জাখাইল ও নোমান সালারজাই তৃতীয় উইকেটে ৪৭ রানের জুটি গড়ে প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করেন। ২৪ রান করা সালারজাইকে রবিউল হাসান অনিক সাজঘরে ফেরালে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারানো আফগানরা বেশ চাপে পড়ে যায়। ৩৮.৩ ওভারে ১৬২ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে জয়ের জন্য শেষ ৬৯ বলে আফগানিস্তানের প্রয়োজন ছিল ৫৮ রান।
ম্যাচের এই পর্যায়ে বাংলাদেশের জয়ের সম্ভাবনা উজ্জ্বল থাকলেও ষষ্ঠ উইকেটে অধিনায়ক সোহেল খান ও তাহির সারওয়ারীর ৫৪ রানের জুটি সব হিসাব বদলে দেয়। সোহেল ১৮ রান করে আউট হলেও শেষ পর্যন্ত টিকে থেকে দলের জয় নিশ্চিত করেন সারওয়ারী। তিনি ৭৬ বলে তিনটি ছক্কা ও একটি চারের সাহায্যে অপরাজিত ৬৭ রানের ইনিংস খেলেন। ৪৯তম ওভারের প্রথম বলে অনিককে ছক্কা হাঁকিয়ে আফগানদের জয় নিশ্চিত করেন তিনি। বাংলাদেশের হয়ে আল আমিন হোসেন দুটি এবং শাকিল খান, ফারহান সাদিক, রবিউল হাসান অনিক ও আলী রাফি একটি করে উইকেট পান। সিরিজের প্রথম দুই ম্যাচ জিতে এগিয়ে থাকলেও তৃতীয় ওয়ানডেতে ৪৩ রানে হারে বাংলাদেশ। চূড়ান্তভাবে চতুর্থ ম্যাচ হেরে সিরিজ জয়ের সুযোগ হাতছাড়া হলো যুবাদের।






