
ঢালিউডের সত্তর দশকের চিত্রনায়িকা নাসিমা খান ও ঝর্ণা একই সময়ে চলচ্চিত্রাঙ্গনে যাত্রা শুরু করেছিলেন। দুজনেরই বাড়ি পুরান ঢাকায় হওয়ায় তাদের মধ্যে দারুণ বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল। বেবী ইসলাম পরিচালিত ‘তানহা’ সিনেমাটিতে দুজনেই কাজ করেছেন, যদিও সেই ছবিতে তাদের একসঙ্গে পর্দায় দেখা যায়নি। ঝর্ণা জানান, তাদের সম্পর্কটা ছিল বন্ধুত্বপূর্ণ, শুটিংয়ের ফাঁকে নিয়মিত দেখা ও আড্ডা হতো। এমনকি তুই-তোকারি সম্বোধনেও কথা হতো তাদের।
ঝর্ণার মতে, নাসিমা খান যথেষ্ট প্রতিভাবান শিল্পী ছিলেন, কিন্তু ক্যারিয়ারের সঠিক পথ চলায় তিনি কিছুটা পিছিয়ে ছিলেন। একজন শিল্পীর সাফল্যের পেছনে যোগ্য দিকনির্দেশনা খুবই জরুরি, যা নাসিমার ক্ষেত্রে অভাব ছিল। সঠিক গাইডেন্সের অভাবেই হয়তো তিনি কাঙ্ক্ষিত উচ্চতায় পৌঁছাতে পারেননি বলে ঝর্ণা মনে করেন। নব্বইয়ের দশকের শেষভাগে দেশে ফিরে ঝর্ণা আবারও নাসিমার সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করেন। কয়েক মাস আগে নাসিমা আমেরিকায় ছিলেন এবং দেশে ফেরার পরও তাদের কথা হয়েছে। নাসিমার ছোট ছেলের অকাল মৃত্যু তাকে মানসিকভাবে ভীষণ বিপর্যস্ত করে তুলেছিল। ঝর্ণা বলেন, অসুস্থ সন্তান হারানোর কষ্টটা নাসিমাকে ভেতরে ভেতরে তাড়িয়ে বেড়াত। নিজের ব্যক্তিগত দুঃখ বা আক্ষেপ নিয়ে খুব একটা কথা না বললেও, ছেলের শোক তাকে সবসময় আচ্ছন্ন করে রাখত। তাদের দীর্ঘদিনের এই সম্পর্কের সমাপ্তি বা এই মৃত্যু নিয়ে ঝর্ণা গভীর আক্ষেপ প্রকাশ করেছেন।
সম্পাদক ও প্রকাশক: পায়েল হোসেন রিন্টু,
মেইল: bdnewspost5@gmail.com
মোবাইল: 01713814445
২৮-সি-৪ শাকের প্লাজা, লেভেল-৫, টয়েনবি সার্কুলার রোড, মতিঝিল, ঢাকা-১০০০