যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার প্রশাসনের চিফ অব স্টাফ হিসেবে দীর্ঘদিনের ঘনিষ্ঠ সহযোগী স্টিফেন মিলারকে মনোনীত করেছেন। শুক্রবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই সিদ্ধান্তের কথা জানান ট্রাম্প। বর্তমানে ডেপুটি চিফ অব স্টাফ হিসেবে দায়িত্ব পালন করা মিলার আগামী সোমবার থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে নতুন পদে যোগ দেবেন। ৬ বছরে সড়ক দুর্ঘটনায় নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে ৩০০ পরিবার: রোড সেফটি ফাউন্ডেশন। একইসঙ্গে বিদায়ী চিফ অব স্টাফ ওয়াইলসের কাজেরও প্রশংসা করেছেন তিনি।
কঠোর অভিবাসননীতির রূপকার হিসেবে পরিচিত মিলার ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদেও নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে প্রভাবশালী ছিলেন। ট্রাম্প তাকে নিজের অন্যতম বিশ্বস্ত উপদেষ্টা হিসেবে বর্ণনা করেছেন। প্রশাসনের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার মতে, মিলারকে এই গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োগের মাধ্যমে ট্রাম্প স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন যে, তিনি তার মূল রাজনৈতিক অবস্থান ও নীতি থেকে কোনোভাবেই সরে আসছেন না। বিশ্লেষণ / ইরানের স্থলপথে অবরোধ, পিক্যাক্স মাউন্টেনে হামলার শঙ্কা, ৯ নভেম্বর কেন গুরুত্বপূর্ণ। সিলেট টেস্ট / ওয়েস্ট ইন্ডিজের আগ্রাসী ব্যাটিং, বাংলাদেশের ২ উইকেট। গ্রাম পুনর্গঠনে ‘গ্রাম সরকার’ ব্যবস্থা, শিগগির উঠছে মন্ত্রিসভায়।
এর আগে সুসি ওয়াইলস ৬৯ বছর বয়সে বৃহস্পতিবার রাতে পদত্যাগপত্র জমা দেন। হোয়াইট হাউসের প্রথম নারী চিফ অব স্টাফ হিসেবে তিনি প্রশাসনিক কার্যক্রমে শৃঙ্খলা আনার জন্য পরিচিত ছিলেন। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, এখন থেকে তিনি ট্রাম্পের রাজনৈতিক শিবিরে পুনরায় সক্রিয় ভূমিকা পালন করবেন।
উল্লেখ্য, মার্কিন প্রেসিডেন্টের দপ্তরের এই পদে থাকা ব্যক্তিকে হোয়াইট হাউসের কর্মীদের পরিচালনা, প্রেসিডেন্টের সময়সূচি নির্ধারণ এবং বিভিন্ন সরকারি সংস্থা ও আইনপ্রণেতাদের মধ্যে সমন্বয়ের মতো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করতে হয়। ট্রাম্পের ২০১৭ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত প্রথম মেয়াদে এই পদে চারজন ভিন্ন ভিন্ন ব্যক্তি দায়িত্ব পালন করেছিলেন। বিমানবন্দর, মেট্রোরেল স্টেশনে বিক্রয়কেন্দ্র করতে চায় জেডিপিসি।
বিশ্লেষকদের মতে, মার্কিন কংগ্রেসের মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকানরা নিয়ন্ত্রণ হারানোর পরবর্তী সময়ে ট্রাম্প তার প্রশাসনিক কাঠামোতে এই বড় পরিবর্তনটি আনলেন। ট্রাম্প প্রশাসন শুরু থেকেই বিভিন্ন চ্যালেঞ্জের মুখে থাকলেও নতুন এই নিয়োগ তাদের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনার একটি বড় অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে। তবে ট্রাম্প প্রশাসনের অভ্যন্তরীণ নীতিনির্ধারণে শুরু থেকেই তার ব্যাপক প্রভাব ছিল।






