ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে রাজধানীর জাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ডে গ্রাম পুলিশদের এক বিশাল মহাসমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। ওই অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গ্রাম পুলিশ সদস্যদের আর্থিক ও পেশাগত মানোন্নয়নে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা দিয়েছেন। শনিবার বেলা পৌনে ১২টার দিকে তিনি স্ত্রী ও জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট ডা. জুবাইদা রহমানকে সঙ্গে নিয়ে অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছান। এর আগে সহধর্মিণী ও জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট ডা. জুবাইদা রহমানকে সঙ্গে নিয়ে আজ শনিবার বেলা পৌনে ১২ টার দিকে তেজগাঁওয়ে জাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ডের এই সমাবেশে যোগ দেন তিনি।
ঘোষণা অনুযায়ী, এখন থেকে গ্রাম পুলিশ সদস্যদের মাসিক বেতন সাড়ে সাত হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ১০ হাজার ৫০০ টাকা এবং গ্রাম পুলিশ প্রধানদের বেতন আট হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ১১ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। পাশাপাশি প্রত্যেক সদস্যকে মাসে ১৫০ টাকা করে মোবাইল বিল দেওয়া হবে। একই সঙ্গে থানায় যাতায়াত ভাতা হিসেবে গ্রাম পুলিশ সদস্যদের বর্তমান ৩০০ টাকার পরিবর্তে ৫০০ টাকা এবং প্রধানদের ক্ষেত্রে ৩০০ টাকার স্থলে ৬০০ টাকা দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর এই নতুন সিদ্ধান্ত আজ শনিবার থেকেই কার্যকর হচ্ছে।
অবসরকালীন সুবিধাও বাড়ানো হয়েছে। এখন থেকে অবসরকালীন আনুতোষিক ভাতা সাধারণ সদস্যদের জন্য ৫০ হাজার থেকে ৮০ হাজার এবং প্রধানদের জন্য ৮০ হাজার থেকে এক লাখ টাকা করা হয়েছে। এছাড়া সদস্য ও প্রধানদের আগে মহল্লাদার ও দফাদার হিসেবে যে পরিচিতি ছিল, তা পরিবর্তন করে এখন থেকে যথাক্রমে গ্রাম পুলিশ সদস্য ও গ্রাম পুলিশ প্রধান হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে পরিচিত করা হবে বলে প্রধানমন্ত্রী জানান।
কর্মসংস্থান ও নারীর ক্ষমতায়নে প্রতিটি ইউনিয়নে দুজন করে নতুন নারী গ্রাম পুলিশ নিয়োগের ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।
পাশাপাশি নারী সদস্যদের মাতৃত্বকালীন ছুটি ছয় মাসের জন্য কার্যকর করা হবে। কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ প্রতিটি ইউনিয়নে একটি দীর্ঘ সড়ক গ্রাম পুলিশের নামে নামকরণের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। ওই সড়কের দুই পাশে গাছ লাগানো হবে এবং গাছ বিক্রির লভ্যাংশ সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নের গ্রাম পুলিশ সদস্যরা পাবেন। এছাড়া যাতায়াতের সুবিধার্থে পাঁচ বছরের পরিবর্তে প্রতি তিন থেকে সাড়ে তিন বছর অন্তর সাইকেল সরবরাহের জন্য স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়কে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।






