যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকান পার্টির বড় ধরনের ভরাডুবির পেছনে ইরান যুদ্ধকে প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স। বুধবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া দীর্ঘ পোস্টে তিনি এই হারের জন্য যুদ্ধকে দায়ী করে বলেন, আমরা যে হেরেছি তার কারণ যুদ্ধ। প্রেসিডেন্ট নিজেও গতরাতে এ কথা বলেছেন। তবে বড় ধরনের নির্বাচনী পরাজয়ের পরও হোয়াইট হাউস থেকে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে এখনো দেশটির প্রেসিডেন্ট হিসেবে দাবি করা হচ্ছে। এক্সে ট্রাম্পের একটি কঠোর চেহারার ছবি পোস্ট করে হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ট্রাম্প এখনো আপনাদের প্রেসিডেন্ট। বিষয়টি মনোযোগ দিয়ে দেখার জন্য ধন্যবাদও জানানো হয় ওই পোস্টে। প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে ৩০০ মিলিয়ন ডলার ঋণ দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক।
নির্বাচনী পরাজয়ের মূল কারণ হিসেবে বিশ্লেষকরা ৪টি প্রধান বিষয়কে চিহ্নিত করেছেন অবিস্মরণীয় ডাবল সেঞ্চুরিতে ইতিহাস গড়লেন হৃদয়। গ্রাম পুলিশের বেতন বাড়ল, শনিবার থেকে কার্যকর। সিলেট টেস্ট / হৃদয়ের অবিশ্বাস্য ইনিংসে নাটকীয়ভাবে ঘুরে দাঁড়ালো বাংলাদেশ।
- যুদ্ধের সমাপ্তি টানা।
- জীবনযাত্রার ব্যয় ও মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ।
- আমেরিকাকে অগ্রাধিকার দেওয়া বা ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ নীতি।
- ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্কের ধরন পরিবর্তন।
ভ্যান্সের এই বক্তব্যকে ইরান যুদ্ধ থেকে নিজেকে কিছুটা দূরে সরিয়ে নেওয়ার কৌশল হিসেবে দেখছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা, বিশেষ করে ২০২৮ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে তার সম্ভাব্য প্রার্থিতার গুঞ্জনের প্রেক্ষাপটে। বিভিন্ন প্রতিবেদন অনুযায়ী, ট্রাম্প গত ফেব্রুয়ারিতে যে যুদ্ধের সূচনা করেছিলেন, তার প্রতি ভ্যান্সের আপত্তি ছিল। এদিকে নির্বাচনের এই ফলাফলকে যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরে জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি, ট্রাম্পের শুল্কনীতি এবং ইরান যুদ্ধ নিয়ে জনগণের ক্রমবর্ধমান অসন্তোষের প্রতিফলন হিসেবে দেখা হচ্ছে। ইরান যুদ্ধের ফলে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি পাওয়া সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ওপর প্রবল চাপ সৃষ্টি করেছে। মোটরসাইকেলকে চাপা দিয়ে ইজিবাইকের ওপর উঠে যায় ট্রাক, নিহত ৪।
মধ্যবর্তী নির্বাচনে কংগ্রেসের উভয় কক্ষের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদের প্রশাসনের সামনে বড় রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ তৈরি হয়েছে। ডেমোক্রেটিক পার্টি এখন আইন প্রণয়ন, ট্রাম্প প্রশাসনের কর্মকাণ্ড তদন্ত এবং বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ নিয়োগপ্রক্রিয়ায় বাধা দেওয়ার ক্ষমতা অর্জন করেছে। যদিও ডোনাল্ড ট্রাম্প ভেটো ক্ষমতা প্রয়োগের হুঁশিয়ারি দিয়ে রেখেছেন। এদিকে ট্রাম্পের ইরান নীতি নিয়ে দলের ভেতরে এবং বাইরে ব্যাপক সমালোচনা থাকলেও, তিনি যুদ্ধের সিদ্ধান্তকে সঠিক বলেই দাবি করেছেন। One of the things the data analysts on our side obsessed over was “composition”—whether the electorate looked close enough to 2024 for Republicans to win। And despite polls that showed a Democrat blowout, the data kept on telling us the same story: in some states turnout was merely OK, in other states it was downright amazing, and in no state was it catastrophic। There was a genuine sense of optimism on our team: our people were showing up। So, I asked the smartest data guy I know, does that mean we’re going to shock the world? “No,” he told me. “We might do better than the polls suggest। But the data is telling us that a lot of Trump/Vance 2024 voters are pissed and planning to vote for the other guys। Our voters are turning out, but they may not vote for us। In Florida, for example, the electorate was 9 points more Republican than Democrat, just a couple points worse than 2024। The main problem is that many people who voted for Trump/Vance in 2024 voted for Democrats in 2026। There will be a lot of infighting and arguing over what happened and why that is। One of the pollsters I really respect told me that our economic messaging wasn’t sharp enough down the stretch। But the real reason we lost is obvious to almost everyone। Another pollster—one of the smartest people I know in politics, told me yesterday we’d lose the generic ballot by 13 points। I felt negative going into Tuesday, but even I was shocked by this। The top four answers, accounting for nearly all of the responses were: 1) End the war 2) Focus on cost of living/inflation 3) Put America First 4) Change our relationship to Israel Our voters showed up। While many spent Monday attacking Rachel Campos Duffy for calling for a diplomatic resolution to the conflict, it turns out her political advice was sound. (She’s also a great person। In the next few months, there’s going to be a lot of gaslighting।
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি পাল্টা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি নতুন করে কোনো হামলা চালায়, তবে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের পরিধি আরও বিস্তৃত হবে। তিনি লিখিত বার্তায় উল্লেখ করেন, যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক দলের পরিবর্তনের ওপর ভিত্তি করে তাদের আধিপত্যবাদী আচরণ বদলে যাবে বলে আশা করা ভুল। ইরানের বিরুদ্ধে শত্রুতা বন্ধ করতে যুক্তরাষ্ট্রকে ছাড় দেওয়ার চিন্তাও অমূলক। প্রসঙ্গত, গত মার্চে বাবা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির মৃত্যুর পর মোজতবা খামেনি ক্ষমতায় এলেও তাকে প্রকাশ্যে দেখা যায়নি।
ইরানের প্রধান মধ্যস্থতাকারী মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ মার্কিন নির্বাচনের ফলকে যুদ্ধের বিরুদ্ধে ভোটারদের রায় হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
দেশটির বিচার বিভাগের প্রধান গোলামহোসেইন মোহসেনি এজেই বিষয়টিকে ট্রাম্পের সামরিক ও রাজনৈতিক পরাজয় হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।
তবে সংঘাত নিরসনে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান জানিয়েছেন, তার সরকার আলোচনার মাধ্যমে সংকটের শান্তিপূর্ণ সমাধানের চেষ্টা করছে।
আগে যেসব বিষয়ে আলোচনার সুযোগ ছিল না, সেগুলো নিয়েও আলোচনার জন্য সর্বোচ্চ নেতা সরকারকে নতুন ক্ষমতা দিয়েছেন।
কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাজেদ আল-আনসারি জানান, একটি অন্তর্বর্তী সমঝোতার বিষয়ে তারা দুই পক্ষের সঙ্গে কাজ করছেন। এছাড়া যুদ্ধ নতুন করে যেন না ছড়ায়, সেটি নিশ্চিত করাকে চীন তাদের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার বলে জানিয়েছে।
এর আগে নির্বাচনের দিনও হরমুজ প্রণালির কেশম দ্বীপে বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে। আইআরজিসি দাবি করেছে, তারা যুক্তরাষ্ট্রের একটি ড্রোন ভূপাতিত করেছে, যদিও ওয়াশিংটন এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করেনি। ট্রাম্প এর আগে ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলো লক্ষ্য করে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বললেও, বর্তমানে তিনি বলছেন পূর্ণমাত্রার যুদ্ধের প্রয়োজনীয়তা না-ও থাকতে পারে।
- End the war।
- Focus on cost of living/inflation।
- Put America First।
- Change our relationship to Israel Our voters showed up. And the above four reasons are why many of them voted for Democrats. This is according to a pollster who nailed the results. While many spent Monday attacking Rache।






