দুই বাংলার জনপ্রিয় তারকা জয়া আহসান ও মোশাররফ করিম। অভিনয়ে নিজেদের দক্ষতা দিয়ে দুজনেই অগণিত দর্শকের হৃদয় জয় করেছেন। তবে পর্দার সামনে দুজনকে একসঙ্গে খুব একটা দেখা যায় না। মোশাররফ করিমের অভিনয়শৈলীতে মুগ্ধ জয়া আহসান সম্প্রতি এক পডকাস্টে তাকে ‘ম্যাজিশিয়ান’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। তিনি জানান, মোশাররফ করিম ভীষণ গুণী একজন অভিনেতা এবং তার অভিনয়ের বড় ভক্ত তিনি।
জয়া আহসান আরও বলেন, মোশাররফ করিমের সঙ্গে সরাসরি কাজ করার সুযোগ খুব কম হয়েছে। পরিচালকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে তিনি বলেন, আমি চাই তার সঙ্গে নিয়মিত কাজ হোক, নিশ্চয়ই তিনিও সেটি চান। অতীতে মোশাররফ করিমের সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতার কথা স্মরণ করে জয়া জানান, একটি নাটকে অভিনয়ের পর সেটির জনপ্রিয়তার রেশ এখনো কাটেনি। অনলাইন ও সোশ্যাল মিডিয়ায় এখনো নিয়মিত সেই নাটকটির দেখা মেলে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
ইশতিয়াক আহমেদ রুমেল পরিচালিত ‘ঈদের ডায়েরি’ নাটকটিতেই মূলত একসঙ্গে দেখা গিয়েছিল এই দুই তারকাকে। ২০১১ সালের ঈদুল ফিতরে একুশে টিভিতে নাটকটি প্রথমবারের মতো প্রচারিত হয়েছিল। প্রচারের পর থেকেই এটি দর্শকদের ব্যাপক প্রশংসা পায়। দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও ইউটিউবের সুবাদে নাটকটি এখনো নতুন প্রজন্মের দর্শকদের কাছে জনপ্রিয়।
নাটকটির ইউটিউব ভিডিওর নিচে এখনো অসংখ্য মন্তব্য দেখা যায়। সোহেল রানা নামে একজন লিখেছেন, নাটকটির কাহিনি অসাধারণ তবে শেষটা বেশ কষ্টদায়ক। বিপ্লব নামে আরেকজন জানান, দীর্ঘ সময় খুঁজে নাটকটি পাওয়ার পর তিনি এটি উপভোগ করেছেন। এছাড়াও রাহাত লিখেছেন, নাটকটির শেষ দৃশ্য আবেগপ্রবণ করে তোলে। সবুজসহ অসংখ্য দর্শক মোশাররফ করিম ও জয়া আহসানের জুটিকে প্রিয় উল্লেখ করে ভালোবাসা জানিয়েছেন কমেন্ট বক্সে। তবে শেষের কাহিনিটা খুব কষ্টদায়ক। ” বিপ্লব লেখেন, “২ ঘণ্টা খোঁজার পর নাটকটি পেলাম, অনেক ভালো লাগে, তাই আজকে দেখতে আসলাম। ” রাহাত লেখেন, “শেষের দৃশ্যটা দেখে চোখে জল চলে আসল। ” সবুজ লেখেন, “প্রিয় ২জন অভিনেতা ও অভিনেত্রী। ”।

